পর্দায়
একাধিকবার নগ্ন হয়ে আলোচনায় এসেছেন মডেল-অভিনেত্রী কিম কার্দাসিয়ান। সফল
অনেক টিভি সিরিজের বাইরেও প্রায় এক ডজন হলিউড ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। সেই
ছবিগুলোতেও তার সেক্সসিম্বল ইমেজই প্রকাশ পেয়েছে। তবে ক্যারিয়ারের ৮ বছর
পার হয়ে গেলেও নিজের এই ইমেজ ভাঙ্গতে যেন রাজি নন তিনি। আর তাই তো সর্বশেষ
জনসম্মুখে আন্ডারওয়্যারবিহীন নগ্ন হয়ে উপস্থিত হয়ে বিতর্কের মুখে পড়েছিলেন
এই তারকা। তবে সমালোচনা-বিতর্কে কখনও কান দেননি কিম। নিজের মতো করে কাজ করে
গেছেন সব সময়। তারই ধারাবাহিকতায় আবারও নগ্ন হয়ে ক্যামেরাবন্দি হয়ে
আলাচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন তিনি। এবার তিনি একটি ম্যাগাজিনের
জন্য নগ্ন পোজ দিয়েছেন। ৩৪ বছর বয়সী এ তারকা লাভ ম্যাগাজিনের আসছে সংখ্যায়
প্রচ্ছদ মডেল হয়ে আসছেন। শুধু তাই নয়, প্রচ্ছদের বাইরেও ম্যাগাজিনের ৩০
পৃষ্ঠা জুড়ে নগ্ন কিমকে দেখা যাবে। এর জন্য গত বছরের নভেম্বর ও ডিসেম্বর
জুড়ে শুট করেছেন তিনি। স্বনামধন্য ফটোগ্রাফার স্টিভেন ক্লেইন তার এসব ছবি
তুলেছেন। প্রচ্ছদসহ ৩০ পৃষ্ঠায় নগ্ন হয়ে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে পোজ দিয়েছেন
কিম। লাভ ম্যাগাজিনের ফেব্রুয়ারি সংখ্যায় তার এই ছবিগুলো প্রকাশ হতে
যাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে বেশ উত্তেজিত তিনি। এ বিষয়ে কিম কার্দাসিয়ান বলেন, আমি
সব সময় ভিন্ন কিছু দিতে আগ্রহী। দর্শকদের আনন্দ দেয়ার জন্যই আমার এই জগতে
আসা। লাভ ম্যাগাজিনের ছবি ও তাতে আমার কথাগুলোও আশা করছি সবার ভাল লাগবে।
এর জন্য অনেক ধন্যবাদ স্টিভেনকে। অসাধারণ কিছু ছবি তুলেছেন তিনি। তার
কোরিওগ্রাফি দেখে আমি মুগ্ধ। এই প্রথম কোন ম্যাগাজিনের জন্য কাপড় না পরে
ছবি তুলেছি আমি। তবে শৈল্পিক মনে হবে অনেক। ম্যাগাজিনটি বের হলে তার সাড়া
পাওয়ার অপেক্ষায় রইলাম।
সম্পাদক: এস এম আজিজুল হাকিম হিরো; Editor: S.M Azizul Hakim Hero; Phone: 01960-519251; 01850912250
Saturday, December 19, 2015
সেক্স বোম রগরগে পর্নো অভিনেত্রী সানি লিওনের হ্যাটট্রিক

ভারতের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে টপকে গেলেন সেক্স বোম সানি লিওন। এ বছর
অনলাইন সার্চ ইঞ্জিনে ভারতে যতগুলো নাম খোঁজা হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি
সার্চ করা হয়েছে সানি লিওনের নাম। এর পরে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। পর্নো
তারকা থেকে বলিউডে দাপটের সঙ্গে বিচরণ করছেন সানি লিওন। কোটি কোটি যুবকের
হৃদয়ে ঝড় তোলা এই অভিনেত্রীকে তাই সবচেয়ে বেশি মানুষ গুগল ইন্ডিয়ায় খোঁজ
করেছেন। এত বেশি মানুষ বলিউডের সুপার স্টার সালমান খান, কাটরিনা কাইফ,
দীপিকা পাড়ুকোন, আলিয়া ভাট, প্রিয়াংকা চোপড়া বা শাহরুখ খানকে খোঁজেননি এ
বছর। পর্নো দুনিয়া থেকে বলিউডে পা বাড়িয়ে তিনি যে মাত্রা যোগ করেছেন তাতে
রাতারাতি তিনি বিখ্যাত হয়ে উঠেছেন। তাই তো বিভিন্ন নামীদামি প্রতিষ্ঠান,
কোম্পানি কোটি কোটি রুপি পকেটে নিয়ে ঘুরছে তার পেছনে। কিন্তু যাদের সেই
অর্থ নেই তারা ইন্টারনেটেই রগরগে এ অভিনেত্রীকে দেখে চোখ জুড়াচ্ছেন। গুগল
ইন্ডিয়া এবার ভারতে সবচেয়ে বেশি যেসব ব্যক্তিকে খোঁজা হয়েছে তাদের বছর
শেষের একটি তালিকা করেছে। সেখানে এক নম্বর অবস্থানে রয়েছেন সানি লিওন। তার
অভিনীত রাগিনি এমএমএস-২ সৃষ্টি করেছে তোলপাড়। এতে ‘বেবি ডল’ গানে তাকে দেখা
গেছে বিবস্ত্র অবস্থায় বিভিন্ন দৃশ্যে। গুগল ইন্ডিয়ায় সবচেয়ে বেশি সার্চ
করা হয়েছে এ রাগিনি এমএমএস-২ ছবি। এ নিয়ে তিনবার একটানা এ তালিকার এক নম্বর
দখল করে রেখেছেন সানি লিওন। এর আগে ২০১২ ও ২০১৩ সালে তিনি শীর্ষ আসনে
ছিলেন। এ নিয়ে তিনি এবার হ্যাটট্রিক করলেন। তারপরে অর্থাৎ তালিকায় দুই
নম্বর অবস্থানে রয়েছেন ভারতে চমক সৃষ্টি করা রাজনীতিক প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদি। গত বছর দুই নম্বরে ছিলেন অভিনেতা সালমান খান। কিন্তু এবার
তিনি এক ধাপ নেমে তিন নম্বরে স্থান পেয়েছেন। তিন নম্বর থেকে এক ধাপ নেমে
চারে রয়েছেন কাটরিনা কাইফ। দীপিকা পাড়ুকোনে রয়েছেন পাঁচ নম্বরে।
আড়াই কোটি রুপিতে জ্যাকুলিনের এক রাত
থার্টিফার্স্ট
নাইটে প্রতি বছরই বলিউড তারকারা আকাশছোঁয়া সম্মানীতে পারফরম করে থাকেন
বিভিন্ন হোটেল-ক্লাবগুলোতে। বিশেষ করে বলিউডের সেক্সসিম্বল অভিনেত্রীরাই
এসব পারফরমেন্সে বেশি অংশ নিয়ে থাকেন। এবারও এই আয়োজনে একাধিক বলিউড তারকা
অংশ নিচ্ছেন। বিপাশা বসু, মল্লিকা সারাওয়াত, মালাইকা অরোরা, অমৃতা অরোরাসহ
অনেক তারকাই এবার পারফরমেন্স করতে যাচ্ছেন বিভিন্ন শোতে। তবে এবার সবাইকে
ছাপিয়ে যিনি সর্বোচ্চ সম্মানীতে থার্টিফার্স্ট নাইটে পারফরম করতে যাচ্ছেন
তিনি হলেন জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। ৩১শে ডিসেম্বর জমকালো আয়োজনের একটি
পার্টিতে নাচতে আড়াই কোটি রুপিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। থার্টিফার্স্টের
এক রাতের জন্য এবার তিনিই সর্বোচ্চ এই পারিশ্রমিক নিচ্ছেন। এর আগে গত বছর
৮০ লাখ রুপিতে পারফরম করেছিলেন তিনি। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে জ্যাকুলিনের
পারিশ্রমিক বেড়েছে এক কোটি ৭০ লাখ। বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যি। মূলত
চলতি বছর ‘কিক’ ছবিটি করার মধ্য দিয়ে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। সালমানের
বিপরীতে ব্যবসা সফল এ ছবিতে অভিনয় করে বলিউডের অন্যতম চাহিদাসম্পন্ন
অভিনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন। কমপক্ষে থার্টিফার্স্টের হাফডজন অনুষ্ঠানে নাচার
প্রস্তাব ছিল এ অভিনেত্রীর। তবে মুম্বইয়ের পাঁচ তারকা হোটেলের জন্যই
পাকাপাকিভাবে আড়াই কোটি রুপিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। এখানে বেশ
খোলামেলারূপে নিজের জনপ্রিয় সব গানে পারফরম করবেন জ্যাকুলিন। এজন্য এরই
মধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছেন তিনি। এ বিষয়ে জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ বলেন, ১৫
দিন ধরে এই শোতে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। থার্টিফার্স্ট নাইটে আমি
প্রতি বছরই পারফরম করি। তবে এবার ‘কিক’-এর সফলতাটাও একসঙ্গে উদযাপন করবো।
আর থার্টিফার্স্টের এই শোটিও আশা করছি আমার জীবনের স্মরণীয় একটি দিন হবে।
সানির 'ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড', অতঃপর...
মাত্র
একদিনের আলাপ। আর তাতেই সম্পর্ক গড়িয়ে গেল একেবারে বিছানা পর্যন্ত! সূর্য
উঠলেই আবার দু'জনার দু'টি পথ দু'টি দিকে বেকে যাওয়া। বিষয়টা হয়ত অন্য কারও
ক্ষেত্রে হলে অসম্ভব বলা যেত। কিন্তু এ যে সানি লিওন। তাই হয়ত এটাকে মেনে
নিতে কারও কষ্ট হচ্ছে না। তবে ঘটনাটা বাস্তবে নয়, সিনেমায়। এমনই বিষয়বস্তু
নিয়ে আসছে পরিচালক জাসমিন ডিসুজার আপকামিং সিনেমা 'ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড'।
আর এই সিনেমাটিতে অভিনয় করছেন সাবেক পর্নো তারকা ও বর্তমানে বলিউড
অভিনেত্রী সানি লিওন। সিনেমায় সানিকে দেখা যায় ভিন্ন ধাচের এক চরিত্রে।
পুরুষদের সঙ্গে একদিনের আলাপ, কথাবার্তা, একসঙ্গে খাওয়া আর এসবের মাধ্যমে
গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠতা। সেই ঘনিষ্ঠতার কোনো নির্দিষ্ট গণ্ডি নেই, এক রাতের জন্য
সাথী হয়ে যাওয়া অজানা-অচেনা দুটি মানুষর। কোনো দায়বদ্ধতা নেই, প্রতিশ্রুতি
নেই, আছে শুধু শারীরিক চাহিদা মেটানোর পালা। পরদিন থেকে আবার তারা অজানা,
কোনোদিনও আবার দেখা হবে কিনা সেটাও জানা নেই। এমন ঘটণাপ্রবাহ নিয়েই 'ওয়ান
নাইট স্ট্যান্ড'। এই সিনেমার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে সানি
জানিয়েছেন, 'হ্যাঁ, সিনেমায় আমি একসময় ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড করেছি, কিন্তু
তখন আমি একা ছিলাম। কিন্তু আমাদের সমাজে এমন অনেক মেয়েই আছে যারা ওয়ান নাইট
স্ট্যান্ড করে, কিন্তু সবার সামনে এটা বলার ক্ষমতা তাদের নেই।'
‘পিকে’তে রগরগে আনুশকা শর্মা
আসছে ডিসেম্বরের ২৫ তারিখ বড়দিন
উপলক্ষে মুক্তি পেতে যাচ্ছে আনুশকা শর্মা অভিনীত আলোচিত ছবি ‘পিকে’। এ
ছবিতে আমির খানের সঙ্গে প্রথমবারের মতো জুটিবদ্ধ হয়ে কাজ করছেন তিনি। এরই
মধ্যে এ ছবির ট্রেলার ও গান প্রচার শুরু হয়েছে বিভিন্ন চ্যানেলে। শাহরুখের
‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’-এর পর এবার ‘পিকে’ বলিউড বক্স অফিসে ব্যবসা সফলতার
রেকর্ড করবে বলেও মনে করছেন কেউ কেউ। এদিকে এ ছবির পোস্টারে নগ্ন হয়ে পোজ
দিয়ে বেশ বিতর্কের মুখে পড়েন আমির। এরপর আনুশকাও ঘোষণা দিয়েছিলেন আমিরের
মতো করেই তাকে খুব শিগগিরই পাওয়া যাবে পোস্টারে। কিন্তু সেখানে নগ্ন
আনুশকাকে নয়, পাওয়া গেছে ট্রানজিস্টার হাতে পুলিশ অফিসার লুকের আনুশকাকে।
তাই বলে এটা ভাবলেও চলবে না আনুশকা কোন চমক রাখছেন না ছবিতে। পুরো ছবিতে
দুর্দান্ত অভিনয়ের পাশাপাশি ‘চার কদম’ শিরোনামে একটি গানে রগরগে আনুশকাকে
খুঁজে পাওয়া যাবে। এ গানটির কিছু অংশ এখন প্রচার হচ্ছে। তবে পুরো গানটির
জন্য অপেক্ষা করতে হবে ছবি মুক্তি পাওয়া পর্যন্ত। আর আনুশকার রগরগে
দৃশ্যগুলোও তখনই দর্শকদের সামনে আসবে। এ গানটিতে সুশান্তের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ
হতে দেখা যাবে আনুশকাকে। আমির থাকতে সুশান্তের সঙ্গে আনুশকার রোমান্টিক
গান! অনেকের কাছেই হয়তো বিষয়টি একটু ঘোলাটে মনে হবে। কিন্তু না, পরিচালক
চমক রাখছেন এদিকেও। ছবিতে আরও বেশ কিছু চমকই রয়েছে, যেটা কেবল মুক্তির পরই
দর্শকরা উপভোগ করতে পারবেন। আগেও আমিরের ছবির চমকগুলো ছবি মুক্তির দিনই
পাওয়া গেছে। এবারও হচ্ছে তাই। তবে সুশান্তের সঙ্গে ‘চার কদম’ গানটির
মাধ্যমে আলোচনায় চলে এসেছেন আনুশকা। এ বিষয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি
বলেছেন, আমার কাছে ‘পিকে’ ছবির সবচেয়ে প্রিয় গান হলো ‘চার কদম’। এখানে
সুশান্তের সঙ্গে বেশ কিছু রোমান্টিক দৃশ্য করেছি। তবে পুরো গানটিতে হট
আনুশকাকে পাওয়া যাবে। আর তার জন্য ছবিটি দেখতে হবে। কারণ, ছবির মধ্যেই
কেবল পুরো গানটি দেখা যাবে। তাই অপেক্ষায় থাকুন। এসকর্ট গার্ল: অনলাইন যৌনপল্লী নাকি প্রতারণার ফাঁদ
ইন্টারনেটের
কল্যাণে দেশে এখন ঘরে বসেই চাল-ডাল থেকে শুরু করে ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যসহ
প্রয়োজনীয় সব কেনাকাটা সারা যাচ্ছে। ই-কমার্স নামে নতুন ব্যবসায়িক ধারণারও
বিকাশ ঘটছে দ্রুত। ঠিক এই সহজলভ্যতা ও গোপনীয়তারই সুযোগ নিচ্ছে অসাধু
লোকেরা। বাংলাদেশে হয়ত এখনো কোনো পর্নো সাইট কেউ চালু করার সাহস করেনি।
কিন্তু বেশক’টি সাইট ইতিমধ্যে চালু হয়েছে যেগুলোতে প্রকাশ্যে চলছে
দেহব্যবসা। অবশ্য এটা প্রতারণার ফাঁদ কি না সেটা বলা যাচ্ছে না। কারণ
প্রশাসনের কাছে এগুলোর ব্যাপারে কোনো তথ্য নেই। এই সাইটগুলোতে অনলাইনে
অর্ডার নেয়া হয়। আর অর্ডার পেলে জায়গামতো কাঙ্ক্ষিত তরুণীকে পাঠিয়ে দেয়া
হয়। অথবা চাইলে তারাই সব ব্যবস্থা করে দেয়। এসব যৌনকর্মীর পোশাকি নাম
দেয়া হয়েছে ‘এসকর্ট গার্ল’। কমপক্ষে চারটি ওয়েবসাইট পাওয়া গেছে যারা এই
এসকর্ট গার্লের ব্যবসা করছে। এসব ওয়েবসাইটে তরুণীদের যৌনাবেদনময় ভঙ্গিতে
উপস্থাপন করা হয়েছে। পরিষ্কার ভাষায় এসব নারীর ছবিসহ চুল থেকে পায়ের নখের
বিবরণ দেয়া আছে। এমনকি ছেলে এসকর্ট চাইলেও পাওয়া যায়। মেয়েদের মতো তাদেরও
আকর্ষণীয় ছবিসহ বর্ণনা রয়েছে।
ওয়েবসাইটগুলো ঘেঁটে দেখা গেছে, এখানে দু’টি গ্রেডে ভাগ করা হয়েছে এইএসকর্ট গার্লদের। এদের বলা হচ্ছে ‘হাইক্লাস এসকর্ট গার্ল’। এর একটি এপ্লাস ক্যাটাগরি, আর অন্যটি ডাবল এপ্লাস ক্যাটাগরি। ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরির এই মেয়েদের ছবির পাশেই ডলারে এবং টাকায় লেখা রয়েছে এদের সঙ্গ পেতে চাইলে কেমন খরচ লাগবে। তবে এই এসকর্ট গার্লদের পেতে হলে বিকাশ বা পে-অ্যাবল ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বুকিং মানি অগ্রিম পাঠাতে হবে। তারপর নির্ধারিত এজেন্সি থেকেই ফোন করে পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া হবে। কেউ যদি বাসা বা হোটেলে নেত চায় তাহলে সেই ঠিকানা এজেন্সিকে দিলে এসকর্ট গার্ল পৌঁছে যাবে জায়গামতো। আর যদি হোটেল বা বাসার ব্যবস্থা না থাকে, সেক্ষেত্রে এজেন্সির পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে সব ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। ঠিক এমনই একটি ওয়েবসাইটে দেয়া নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সুমন নামে এক ব্যক্তি ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বলে দাবি করেন। কেমন এসকর্ট গার্ল আছে জানতে চাইলে তিনি উল্টো বলেন, ‘আপনার কেমন এসকর্ট গার্ল লাগবে? যেমন চান, ঠিক তেমনই দেয়া যাবে।’ কোথায় আসতে হবে জানতে চাইলে সুমন বলেন, ‘ওয়েবসাইটে দেয়া নম্বরে আগে বুকিং মানি পাঠিয়ে দেন। তারপর আমরাই আপনার সাথে যোগাযোগ করব।’ অগ্রিম টাকা নেয়াটা কতখানি যৌক্তিক জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভাই বাসের টিকেট কাটতে গেলেও এখন অগ্রিম বুকিং দেয়া লাগে।’
এসকর্ট গার্লদের অন্য একটি এজেন্সিতে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ডেস্ক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান অবশ্য অগ্রিম বুকিং মানির ব্যাপারটি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, ‘আপনি সোজা উত্তরা হাউজবিল্ডিং এর সামনে এসে ফোন দেন।’
কেমন এসকর্ট গার্ল আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মডেল থেকে শুরু করে নিউজ প্রেজেন্টার পর্যন্ত দেয়া যাবে। মূলত টাকার অংকের ওপর নির্ভর করে আপনাকে এসকর্ট গার্ল দেয়া হবে।’
কেমন টাকা লাগতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই ধরুন আপনি যদি ডাবল এপ্লাস ক্যাটাগরির এসকর্ট গার্ল চান, তাহলে লাগবে বাংলা টাকায় ৪০ হাজার। আর এপ্লাস ক্যাটাগরির এসকর্ট গার্ল চাইলে লাগবে ২৪ হাজার টাকা।’
ওয়েবসাইটগুলোতে গোপনীয়তা রক্ষার ব্যাপারেও বেশ প্রতিশ্রুতি পূর্ণ কথা লেখা আছে। যে কোনো বয়সী নারী চাইলেই এজেন্সির উল্লেখিত ইমেইল ঠিকানায় দুই কপি ছবিসহ সিভি পাঠিয়ে দিতে পারে। পরে এজেন্সি তার সাইটে আগ্রহী নারীর ছবিসহ তার সার্বিক তথ্য সম্বলিত বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। কোনো খদ্দের যদি সেই বিজ্ঞাপন দেখে সাড়া দেয়, তাহলে এজেন্সি থেকে নির্ধারিত সেই এসকর্ট গার্লকে ফোন করে চুক্তির কথা জানানো হবে। পরে সেই চুক্তি অনুযায়ী এজেন্সির দেয়া ঠিকানা মতো পৌঁছে যাবে এসকর্ট গার্ল। অবশ্য আগেই সে পেয়ে যাবে অর্ধেক পেমেন্ট। বাকি অর্ধেক পাবে কাজ হওয়ার পর। আর এজেন্সিকে দেয়া লাগবে নির্ধারিত একটি কমিশন। তবে কমিশনের অংকটা কত সে ব্যাপারে সাইটগুলোতে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। এভাবে অবাধে অনলাইনে যৌন ব্যবসা চললেও প্রশাসন সে ব্যাপারে এখনো ততোটা তৎপর নয়। তাদের এরকম সব ওয়েবসাইটের ব্যাপারে কোনো তথ্যও নেই। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে ‘খোঁজখবরের’ মধ্যেই সীমাবদ্ধ তাদের তৎপরতা। আর এসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যৌনব্যবসা নাকি প্রতারণা করা হচ্ছে সে ব্যাপারেও কোনো তথ্য নেই।
এ বিষয়ে কথা বলতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবির) ডিসি (উত্তর) শেখ নাজমুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এমন কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। সেগুলো খতিয়েও দেখা হচ্ছে। তবে এখনো এমন কোনো এজেন্সির দেখা আমরা পাইনি।’
উল্লেখিত, সম্প্রতি চীনে এসকর্ট গার্ল নামে নতুন পেশার বিকাশ ঘটেছে। এক্ষেত্রে বড় ব্যবসায়ী বা পেশাদারের সঙ্গে হোটেলে বা পর্যটন এলাকায় সঙ্গ দেয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণীরা। এটি শুধুই সঙ্গ দেয়া। এছাড়া মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশেও এ পেশা রয়েছে। তবে বাংলাদেশে একই নামে এ ব্যবসা চললেও সেটা নির্ভেজাল দেহব্যবসাই! অবশ্য হতে পারে প্রতারণার মোক্ষম ফাঁদও!!
ওয়েবসাইটগুলো ঘেঁটে দেখা গেছে, এখানে দু’টি গ্রেডে ভাগ করা হয়েছে এইএসকর্ট গার্লদের। এদের বলা হচ্ছে ‘হাইক্লাস এসকর্ট গার্ল’। এর একটি এপ্লাস ক্যাটাগরি, আর অন্যটি ডাবল এপ্লাস ক্যাটাগরি। ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরির এই মেয়েদের ছবির পাশেই ডলারে এবং টাকায় লেখা রয়েছে এদের সঙ্গ পেতে চাইলে কেমন খরচ লাগবে। তবে এই এসকর্ট গার্লদের পেতে হলে বিকাশ বা পে-অ্যাবল ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বুকিং মানি অগ্রিম পাঠাতে হবে। তারপর নির্ধারিত এজেন্সি থেকেই ফোন করে পরবর্তী নির্দেশনা দেয়া হবে। কেউ যদি বাসা বা হোটেলে নেত চায় তাহলে সেই ঠিকানা এজেন্সিকে দিলে এসকর্ট গার্ল পৌঁছে যাবে জায়গামতো। আর যদি হোটেল বা বাসার ব্যবস্থা না থাকে, সেক্ষেত্রে এজেন্সির পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে সব ব্যবস্থা করে দেয়া হবে। ঠিক এমনই একটি ওয়েবসাইটে দেয়া নম্বরে যোগাযোগ করা হলে সুমন নামে এক ব্যক্তি ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান বলে দাবি করেন। কেমন এসকর্ট গার্ল আছে জানতে চাইলে তিনি উল্টো বলেন, ‘আপনার কেমন এসকর্ট গার্ল লাগবে? যেমন চান, ঠিক তেমনই দেয়া যাবে।’ কোথায় আসতে হবে জানতে চাইলে সুমন বলেন, ‘ওয়েবসাইটে দেয়া নম্বরে আগে বুকিং মানি পাঠিয়ে দেন। তারপর আমরাই আপনার সাথে যোগাযোগ করব।’ অগ্রিম টাকা নেয়াটা কতখানি যৌক্তিক জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভাই বাসের টিকেট কাটতে গেলেও এখন অগ্রিম বুকিং দেয়া লাগে।’
এসকর্ট গার্লদের অন্য একটি এজেন্সিতে যোগাযোগ করা হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ডেস্ক কর্মকর্তা আশিকুর রহমান অবশ্য অগ্রিম বুকিং মানির ব্যাপারটি এড়িয়ে যান। তিনি বলেন, ‘আপনি সোজা উত্তরা হাউজবিল্ডিং এর সামনে এসে ফোন দেন।’
কেমন এসকর্ট গার্ল আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মডেল থেকে শুরু করে নিউজ প্রেজেন্টার পর্যন্ত দেয়া যাবে। মূলত টাকার অংকের ওপর নির্ভর করে আপনাকে এসকর্ট গার্ল দেয়া হবে।’
কেমন টাকা লাগতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই ধরুন আপনি যদি ডাবল এপ্লাস ক্যাটাগরির এসকর্ট গার্ল চান, তাহলে লাগবে বাংলা টাকায় ৪০ হাজার। আর এপ্লাস ক্যাটাগরির এসকর্ট গার্ল চাইলে লাগবে ২৪ হাজার টাকা।’
ওয়েবসাইটগুলোতে গোপনীয়তা রক্ষার ব্যাপারেও বেশ প্রতিশ্রুতি পূর্ণ কথা লেখা আছে। যে কোনো বয়সী নারী চাইলেই এজেন্সির উল্লেখিত ইমেইল ঠিকানায় দুই কপি ছবিসহ সিভি পাঠিয়ে দিতে পারে। পরে এজেন্সি তার সাইটে আগ্রহী নারীর ছবিসহ তার সার্বিক তথ্য সম্বলিত বিজ্ঞাপন প্রকাশ করবে। কোনো খদ্দের যদি সেই বিজ্ঞাপন দেখে সাড়া দেয়, তাহলে এজেন্সি থেকে নির্ধারিত সেই এসকর্ট গার্লকে ফোন করে চুক্তির কথা জানানো হবে। পরে সেই চুক্তি অনুযায়ী এজেন্সির দেয়া ঠিকানা মতো পৌঁছে যাবে এসকর্ট গার্ল। অবশ্য আগেই সে পেয়ে যাবে অর্ধেক পেমেন্ট। বাকি অর্ধেক পাবে কাজ হওয়ার পর। আর এজেন্সিকে দেয়া লাগবে নির্ধারিত একটি কমিশন। তবে কমিশনের অংকটা কত সে ব্যাপারে সাইটগুলোতে স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। এভাবে অবাধে অনলাইনে যৌন ব্যবসা চললেও প্রশাসন সে ব্যাপারে এখনো ততোটা তৎপর নয়। তাদের এরকম সব ওয়েবসাইটের ব্যাপারে কোনো তথ্যও নেই। শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে ‘খোঁজখবরের’ মধ্যেই সীমাবদ্ধ তাদের তৎপরতা। আর এসব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যৌনব্যবসা নাকি প্রতারণা করা হচ্ছে সে ব্যাপারেও কোনো তথ্য নেই।
এ বিষয়ে কথা বলতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবির) ডিসি (উত্তর) শেখ নাজমুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এমন কিছু অভিযোগ আমরা পেয়েছি। সেগুলো খতিয়েও দেখা হচ্ছে। তবে এখনো এমন কোনো এজেন্সির দেখা আমরা পাইনি।’
উল্লেখিত, সম্প্রতি চীনে এসকর্ট গার্ল নামে নতুন পেশার বিকাশ ঘটেছে। এক্ষেত্রে বড় ব্যবসায়ী বা পেশাদারের সঙ্গে হোটেলে বা পর্যটন এলাকায় সঙ্গ দেয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয় বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণীরা। এটি শুধুই সঙ্গ দেয়া। এছাড়া মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, বেলজিয়াম, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশেও এ পেশা রয়েছে। তবে বাংলাদেশে একই নামে এ ব্যবসা চললেও সেটা নির্ভেজাল দেহব্যবসাই! অবশ্য হতে পারে প্রতারণার মোক্ষম ফাঁদও!!
হট অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া আগের চেয়েও বেশি...
‘হিম্মতওয়ালা’, ‘হামসকলস’ ও
‘এন্টারটেইনমেন্ট’ ছবিগুলোর মাধ্যমে বলিউড অভিনেত্রী হিসেবে আলোচনায় আসেন
তামান্না ভাটিয়া। এসব ছবিতে সিনিয়র ও গুণী অভিনেতাদের সঙ্গেই জুটিবদ্ধ হয়ে
কাজ করতে দেখা গেছে তাকে। তবে সবচেয়ে সফলতা তিনি পেয়েছেন ‘এন্টারটেইনমেন্ট’
ছবির মধ্য দিয়ে। ছবিতে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে প্রথমবারের মতো কাজ করেন
তামান্না। অভিনয়ের পাশাপাশি তার আবেদনময়ী রূপ দর্শকদের মুগ্ধ করে। ছবিটি
দারুণ ব্যবসা সফলতাও অর্জন করে। এদিকে এ ছবির পর পরই তামান্নাকে ভবিষ্যতের
স্টার অব বলিউড হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি। তখনই অক্ষয় ঘোষণা দিয়েছিলেন তার
প্রোডাকশনের পরবর্তী ছবিতে তামান্না আসছেন নায়িকা হয়ে। কথা রেখেছেন অক্ষয়।
এরই মধ্যে নাম না ঠিক হওয়া নতুন ছবিতে তামান্নাকে চুক্তিবদ্ধ করেছেন।
প্রযোজনার পাশাপাশি ছবির প্রধান চরিত্রে অভিনয়ও করবেন এ অভিনেতা। তবে এ
ছবিতে আগের চেয়েও বেশি আবেদনময়ীরূপে তামান্নাকে দেখা যাবে। এমনটাই
জানিয়েছেন অক্ষয়। আগামী মাস থেকে কমেডি-রোমান্টিক এ ছবির শুটিং শুরু হতে
যাচ্ছে।
এ
বিষয়ে অক্ষয় জানান, আমার মনে হয় বলিউডের সবচেয়ে হট অভিনেত্রী এখন
তামান্না। এটা যে কেউ আমার সঙ্গে একমত হবেন। এদিকটা বিবেচনা করেই তাকে
উপস্থাপন করা হবে। দর্শক এ ছবিতে ব্যাপক খোলামেলা তামান্নাকে আবিষ্কার করতে
পারবেন। এ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে আনন্দিত তামান্নাও। এই মধ্যে ছবিতে
অভিনয়ের প্রস্তুতি শুরু করেছেন তিনি। এ বিষয়ে মিডিয়াকে তামান্না বলেন,
অক্ষয় কুমারের মতো বড় অভিনেতার সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো অভিনয় করতে যাচ্ছি।
এটা আমার জন্য পরম একটি পাওয়া। নিজের শতভাগ দিয়েই এখানে কাজ করার চেষ্টা
থাকবে। আবেদন নিয়ে উপস্থিতির পাশাপাশি এখানে অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে
প্রমাণেরও সুযোগ রয়েছে। তাই এ সুযোগটা আমি পুরোপুরি কাজে লাগাতে চাই।
সাবেক প্রেমিকের সঙ্গে রগরগে জেনিফার লরেন্স
অস্কার জয়ী হলিউড অভিনেত্রী জেনিফার
লরেন্স বর্তমানে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন একাধিক ছবির কাজ নিয়ে। এসব ছবিতে
ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রেই তাকে দর্শক আবিষ্কার করতে পারবেন। এর মধ্যে ‘এক্স
মেন’ সিরিজের পরবর্তী ছবিতেও অভিনয় করছেন তিনি। ছবির নাম ‘এক্স
মেন-এপোকালসি’। ছবিতে অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যাবে তাকে। মজার বিষয় হলো এ
ছবিতে তিনি অভিনয় করছেন তার সাবেক প্রেমিক নিকোলাস হন্টের বিপরীতে। প্রায়
তিন বছর পর তারা একে অপরের সঙ্গে কাজ করছেন। তবে দীর্ঘদিন পর হলেও তাদের
বেশ সাবলীল মনে হয়েছে। ছবির বাইরে কথাবার্তাও হয়েছে অনেক। তবে হঠাৎ করেই
পরিচালক ছবিতে একটি রগরগে দৃশ্য পরিকল্পনা করেন। নিজের পরিকল্পনার কথা
লরেন্স ও হন্টকে জানান। খুব সহজেই রাজি হয়ে যান তারা। অল্প মানুষের
উপস্থিতিতে অনেকটা গোপনেই ধারণ করা হয় এ দৃশ্য। বিছানার এ দৃশ্যে আবেদনময়ী
লরেন্সকে রোমান্স করতে দেখা যাবে হন্টের সঙ্গে। এ সময় লরেন্সের পরনে ছিল
শুধুমাত্র কালোরঙা অন্তর্বাস। তবে চমকদার বিষয় হলো, এক টেকেই নিজেদের এই
রোমান্সের দৃশ্যটি করে ফেলেছেন সাবেক এই প্রেমিক যুগল। তাদের দেখে মনে
হচ্ছিল পর্দার জন্য নয়, বাস্তবেই বুঝি একে অপরের সঙ্গে রোমান্স করছেন তারা।
বিষয়টি নিয়ে পরিচালক বেশ খুশি। এদিকে সর্বশেষ ২০১১ সালে ‘এক্স মেন’ ছবিতেই
একসঙ্গে দেখা গিয়েছিল এই দুই তারকাকে। এ বিষয়ে জেনিফার লরেন্স বলেন,
হন্টের সঙ্গে এখন আমার সম্পর্ক না থাকলেও সে আমার খুব ভাল বন্ধু। তার সঙ্গে
প্রতিটি বিষয়ে আমার বোঝাপড়া ভাল। এ কারণে রোমান্সের দৃশ্য করতে কোন
অসুবিধা হয়নি। বরং খুব সহজেই দৃশ্যটি ওকে হয়েছে। আশা করছি এবারের ‘এক্স
মেন’ সিরিজের ছবিটিও দর্শকরা ভালভাবেই উপভোগ করবেন।
নগ্ন ছবি ফাঁসে এবার অভিনেত্রী কেলি ব্রুকের নাম
জেনিফার লরেন্স, রিহান্না, কিম
কারদাশিয়ানের পর এবার অভিনেত্রী কেলি ব্রুক। হলিউডের সবচেয়ে বড় নগ্ন ছবি
ফাঁসকাণ্ডে যুক্ত হল আরও একটা বড় নাম। আইক্লাউড অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে
পিরানহা থ্রিডি ও সারভাইভাল আইল্যান্ড খ্যাত এই অভিনেত্রীর বেশ কয়েকটা
অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি ফাঁস করা হয়েছে। ফাঁস
হওয়া ছবিগুলোর একটিতে দেখা যায় নগ্ন ব্রুক বিছানায় শুয়ে সেলফি তুলছেন।
ব্রিটিশ এই অভিনেত্রী ও মডেলের নগ্ন ছবি এখন ঘুরছে অনলাইনে।
এর আগে কেবল অন্তর্বাসে নিজের ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে প্রায়ই পোস্ট করতে দেখা গেছে ‘পিরানহা থ্রিডি’ খ্যাত এই অভিনেত্রীকে। ফাঁস হাওয়া ছবিগুলো যে ভুয়া নয় সেটাও নিশ্চিত।
এই ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে কেলির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘তিনি মর্মাহত। অতীতে হয়তো নিজের দেহের ছবি থেকে আর্থিকভাবে তিনি লাভবান হয়েছেন। কিন্তু এই ছবিগুলো ছিল গোপনীয় যা পুরো দুনিয়ার সামনে প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আতঙ্কিত।’
নারী তারকাদের নগ্ন ছবি ফাঁস কাণ্ডের শুরুটা আগস্ট মাস থেকে। জেনিফার লরেন্স, রিহান্না, কেইট আপটন, সেলেনা গোমেজের মতো তারকাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি তাদের আইক্লাউড অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাক করে প্রকাশ করে দেওয়া হয় ফোরচ্যান এবং রেডিট-এর মতো ওয়েবসাইটগুলোতে। আর পরে এই ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
যে ১০১ জন নারী তারকার ছবি হ্যাক হয়েছে বলে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল তাদের মধ্যে ব্রুকের নাম থাকলেও সে সময় নিজের নগ্ন ছবির অস্তিত্বের কথাই স্বীকার করেননি তিনি।
এর আগে কেবল অন্তর্বাসে নিজের ছবি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে প্রায়ই পোস্ট করতে দেখা গেছে ‘পিরানহা থ্রিডি’ খ্যাত এই অভিনেত্রীকে। ফাঁস হাওয়া ছবিগুলো যে ভুয়া নয় সেটাও নিশ্চিত।
এই ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে কেলির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘তিনি মর্মাহত। অতীতে হয়তো নিজের দেহের ছবি থেকে আর্থিকভাবে তিনি লাভবান হয়েছেন। কিন্তু এই ছবিগুলো ছিল গোপনীয় যা পুরো দুনিয়ার সামনে প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আতঙ্কিত।’
নারী তারকাদের নগ্ন ছবি ফাঁস কাণ্ডের শুরুটা আগস্ট মাস থেকে। জেনিফার লরেন্স, রিহান্না, কেইট আপটন, সেলেনা গোমেজের মতো তারকাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি তাদের আইক্লাউড অ্যাকাউন্ট থেকে হ্যাক করে প্রকাশ করে দেওয়া হয় ফোরচ্যান এবং রেডিট-এর মতো ওয়েবসাইটগুলোতে। আর পরে এই ছবিগুলো ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
যে ১০১ জন নারী তারকার ছবি হ্যাক হয়েছে বলে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল তাদের মধ্যে ব্রুকের নাম থাকলেও সে সময় নিজের নগ্ন ছবির অস্তিত্বের কথাই স্বীকার করেননি তিনি।
নগ্ন ছবি নিয়ে মুখ খুললেন জেনিফার লরেন্স
নগ্ন ছবি প্রকাশ করায় প্রচ- ক্ষেপেছেন অস্কার
পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী জেনিফার লরেন্স। সম্প্রতি তিনি সহ সেলিব্রেটি
জগতের বেশ কিছু তারকার নগ্ন ছবি ফাঁস করে দেয় হ্যাকাররা। এ ঘটনায় জেনিফার
এতদিন চুপ থাকার পর নীরবতা ভেঙেছেন। তিনি এ ঘটনাকে ‘সেক্স ক্রাইম’ বা যৌন
অপরাধ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। শীর্ষ স্থানীয় একটিট ম্যাগাজিনকে ২৪
বসন্তের এই নায়িকা এক সাক্ষাতকারে তার এই ক্ষোভের কথা জানান। এতে তিনি
বলেন, এটা আমার শরীর। এটা আমার সম্পদ। তাই আমার শরীর নিয়ে কি করব তা
নির্ধারণ ক্ষমতার অধিকার শুধু আমার। কেউ যদি আমার মতের সঙ্গে একমত না হন
তাহলে বলবো এটা একেবারেই বেমানান একটি বিষয়। ‘দ্য হান্টার গেমস’ খ্যাত এই
অভিনেত্রী আরও বলেন, আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারি না যে, এমন দুনিয়ায়
কিভাবে আমরা বসবাস করব। নগ্ন ছবি ফাঁসের ঘটনা একটি স্ক্যান্ডাল নয়। বরং এটা
যৌন জীবনের যে অধিকার তার লঙ্ঘন। ভার্চুয়াল বিশ্বকে শাসন করে এমন আইনের
পরিবর্তন চান এখন জেনিফার লরেন্স। তিনি বলেন, কেউ কেউ যৌন জীবনে বখে যেতে
পারে, নিয়মের লঙ্ঘন করতে পারে। তাই আমি মনে করি আমি চাই এক্ষেত্রে আইনের
ব্যত্যয় ঘটুক।
আলোচিত অভিনেত্রী ও মডেল বিব্রত কিম কারদাসিয়ান
চলতি বছরেই আলোচিত অভিনেত্রী ও মডেল কিম কারদাসিয়ান বিয়ে করেছেন জনপ্রিয় র্যাপার কেনি ওয়েস্টকে। বিয়ের পর বেশ
ভালভাবেই চলছিলো তাদের সংসার। কাজের বাইরে একে অপরকে সময় দেয়ারই চেষ্টা
করেন তারা। তবে হঠাৎ করেই তাদের সংসারে যেন দেখা দিলো এক বিপত্তি। ঘটনাটি
ঘটেছে সম্প্রতি। স্ত্রী কিম কারদাসিয়ানের নগ্ন ছবি কেনি আবিষ্কার করেছেন
অনলাইনে। বিষয়টি অবাক করার মতো হলেও সত্যি। বিষয়টি নিয়ে বেশ বিব্রতকর
অবস্থায় পড়েছেন কেনি ওয়েস্ট ও কিম। স্ত্রীর এরকম নগ্ন ছবি দেখে অবাক না হয়ে
পারেননি কেনি। এটি কিম কারদাসিয়ানের নিজের তোলা একটি সেলফি, যেখানে কোন
ধরনের কাপড় পরেননি তিনি। এ ছবিটি অবশ্য কিমের মোবাইল ফোনেই তোলা ছিল।
কিন্তু ছবিটি কোথাও প্রকাশ করেননি তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, ফোন হ্যাকিং করে
কিমের এ ছবিটি চুরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু
স্ত্রীর এমন নগ্ন ছবি কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেন না কেনি। এরই মধ্যে ছবিটি
ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইটে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্নজনের প্রশ্নের
সম্মুখীনও হতে হচ্ছে কেনি ও কিমকে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার কিমকে জিজ্ঞাসা
করেছেন কেনি। কিন্তু কিম নিজেও অবাক কিভাবে তার এই নগ্ন সেলফি প্রকাশ হয়ে
গেলো! ৩৩ বছর বয়সী কিম কারদাসিয়ান বিষয়টি স্বামী কেনিকে বোঝানোরও চেষ্টা
করছেন। এ বিষয়ে তিনি সরাসরি মিডিয়াকে বলেন, একজনের ফোন হ্যাকিং করে তার
ব্যক্তিগত ছবি প্রকাশটা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়
না। আমার সঙ্গে এটা ঘটলো, যা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত। আমি
এরই মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সঙ্গে কথা বলেছি। বিষয়টি নিয়ে আমি আইনি
লড়াইয়ে যাবো। যে এ কাজটি করেছে আমি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, যেন
পরবর্তীতে এরকম কাজ আর কেউ না করতে পারে।
দেশ-বিদেশে আলোচিত পিয়া by ফয়সাল রাব্বিকীন
র্যাম্প থেকে বড়পর্দায় পা রেখেই
ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসেন জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন
সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সফলতা পাওয়া এই মডেল প্রথমবারের মতো রেদওয়ান
রনির ‘চোরাবালি’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করে সবার নজর কাড়েন। এরপর একে একে
কয়েকটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়ে অভিনয় করেন তিনি। এগুলো হচ্ছে ‘স্টোরি অব
সামারা’, ‘গ্যাংস্টারস রিটার্ন’ ও ‘প্রবাসিনীর প্রেম’। এই তিন ছবিতে কাজ
করে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী হিসেবে দারুণভাবে আলোচনায় আসতে সক্ষম হন তিনি।
বর্তমানে পিয়া অভিনীত এসব ছবি মুক্তি প্রতীক্ষায় রয়েছে। এদিকে এরই মধ্যে
আলভি আহমেদের ‘ইউটার্ন’ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের পঞ্চম এ
ছবিতে সাইন করার পরপরই চীনে পাড়ি জমান পিয়া। এশিয়ান ট্রেন্ড-২০১৪-এর রেড
কার্পেটে ক্যাটওয়াক করতেই আমন্ত্রিত হয়ে সেখানে যান তিনি। সেখানে অন্যতম
সেরা মডেল হিসেবে মনোনয়ন পান। ১৪ থেকে ১৬ই সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক গণ্ডির
এই শোতে সফলভাবে অংশ নিয়ে এরই মধ্যে দেশে ফিরেছেন তিনি। র্যাম্প ও
চলচ্চিত্র দিয়ে দেশে আলোচিত হওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত বাইরের বড় শোগুলোতে অংশ
নিয়ে বিদেশেও এখন মডেল হিসেবে সমান আলোচিত পিয়া। দেশীয় মডেল হিসেবে
কাছাকাছি সময়ে এরকম আন্তর্জাতিক খ্যাতির দৃষ্টান্ত নেই বললেই চলে। এই বিষয়ে
পিয়া বলেন, এটা আমার পরম পাওয়া। আন্তর্জাতিক শোগুলোতে আমি বাংলাদেশকে
প্রতিনিধিত্ব করতে গর্ববোধ করি। সেখানে যখন আমার সঙ্গে সঙ্গে দেশের নামটা
উচ্চারিত হয়, তখন গর্বে বুকটা ভরে যায়। সমপ্রতি চীনের একটি শোতে অংশ নিয়ে
ফিরলাম। এর অভিজ্ঞতাও দারুণ। দেশের পাশাপাশি বাইরের মানুষজনও যখন প্রশংসা
করেন খুব ভাল লাগে। এভাবেই আমি নিজ কাজের দ্বারা দেশকে প্রতিনিধিত্ব করে
যেতে চাই যতদিন সম্ভব হয়। এদিকে দেশে এসেই পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন
পিয়া। ২১শে অক্টোবর তার ট্রাস্ট অব ল পরীক্ষা। এ পরীক্ষার প্রস্তুতি এখন
জোরেশোরে নিচ্ছেন তিনি। আর এ কারণেই একটি ছোট্ট বিরতিতে যেতে হচ্ছে চলতি
সময়ের অন্যতম এই গ্ল্যামারাস কন্যাকে। পরীক্ষা শেষ করেই অবশ্য আবার নতুন
মিশনে নামবেন পিয়া। অক্টোবরের শেষদিকে ‘ইউটার্ন’ ছবির শুটিংয়ে অংশ নেবেন
তিনি। ছবির অন্যতম একটি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করবেন এ অভিনেত্রী। এদিকে
মাসখানেক আগেই প্রেমিক সুমনকে বিয়ে করে এরই মধ্যে সংসারি বনেছেন এই
গ্ল্যামারস কন্যা। বেশ সুখেই দিন কাটছে এই জুটির। বিয়ের পর যেখানে
মডেল-অভিনেত্রীদের কাজ খানিক ঢিলেঢালা হয়ে পড়ে, পিয়ার ক্ষেত্রে হয়েছে তার
উল্টোটা। তার কাজের গতি যেন আরও বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে পিয়া বলেন, আমাদের
সম্পর্কটা আসলে অনেক দিনের ছিল। তবে বিয়ের মাধ্যমে সেটা পরিণতি পেলো। বিয়ে
পরবর্তী সময়টা অনেক ভাল উপভোগ করছি। কাজও চলছে খুব ভাল গতিতে। আগের মতো
করেই অনেক উৎসাহ পাই ওর কাছ থেকে। সত্যি বলতে পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি নারী
হিসেবেই মনে হয় নিজেকে।
নগ্ন ফটোশুটে এবার কিম কার্দাশিয়ানের বোন
শোবিজ তারকাদের জন্য ক্যামেরার সামনে নগ্ন হয়ে পোজ দেয়াটা এখন
স্বাভাবিক ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। একাধিক বার বিবস্ত্র হয়ে ফটোশুট করে
পশ্চিমা গণমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন কিম কার্দাশিয়ান। তার বোন কোর্টনি
কার্দাশিয়ানও কিমের পদাঙ্ক অনুসরন করে নগ্ন পোজ দিয়েছেন। এবারে তাদের আরেক
বোন ক্লোয়ি কার্দাশিয়ানও সে দলে যুক্ত হয়েছেন। এক ফটোশুটে তিনি সম্পুর্ণ
বিবস্ত্র হয়ে ক্যামেরার সামনে দাড়িয়েছেন। শরীরের সংবেদনশীল অঙ্গ প্রদর্শন
করা রগরগে সেসব ছবি পোস্ট করেছেন নিজের ওয়েবসাইটে। এ খবর দিয়েছে মিরর।
ক্লোয়ি ফটোশুটটি করেছেন আগস্ট মাসে। সেন্ট বার্থসে এক সফরে গিয়ে ক্যামেরার
সামনে নগ্ন হয়ে দাড়ান তিনি। এতোদিন পর তিনি গতকাল ছবিগুলো তার ওয়েবসাইটে
প্রকাশ করেন। এখন তিনি দাবি করছেন, নগ্ন ফটোশুট করতে তার সাহস হয়েছিল
ভাবতেই তিনি আশ্বর্য হচ্ছেন। ছবিগুলোতে একটি ব্যাক্তিগত সুইমিংপুলের পাশে
নিজেকে মেলে ধরেছেন ক্লোয়ি। একটি ছবিতে সুইমিংপুলের পাশে পেছন ঘুরে বসে
আছেন ক্লোয়ি। এতে পেছন থেকে সংবেদনশীল অঙ্গের অনেকটাই দেখা যাচ্ছে। অপর
একটি ছবিতে পুলের পাশে শুয়ে আছেন তিনি। দু’পা ভাজ করে রেখে অন্তত শরীরের
কিছু অংশ প্রকাশ থেকে বিরত থেকেছেন। আর এক হাত দিয়ে বুক ধেকে রেখেছেন।
কিভাবে নগ্ন ফটোশুটটি করলেন তা বলতে গিয়ে ক্লোয়ি জানিয়েছেন, অবকাশ যাপনে
গিয়ে কান্তি ধরে গিয়েছিল তাদের। তখনই তিনি ও কেনডাল জেনারের মাথায় এ বুদ্ধি
আসে। যেই ভাবা সেই কাজ। এরপর তারা মেকআপ শিল্পি জয়েস বোনেলি, হেয়ার
স্টাইলিস্ট জেন অ্যাটকিন ও জেনের ফটোগ্রাফার স্বামী মাইক রোজেনথালকে
ফটোশুটের জন্য সম্পৃক্ত করেন। ব্যাস, এরপরই ক্যামেরার সামনে নিজেকে উজাড়
করে মেলে ধরেন ক্লোয়ি।
বৈঠকে যোগ দেয়নি জামায়াত-ইসলামী ঐক্যজোট
আসন্ন পৌর নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে প্রচারণা চালাবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন
২০ দল। আজ বেলা ১২টায় গুলশানে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ২০ দলীয়
জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর আগে সকাল ১১টায় মির্জা
আলমগীরর সভাপতিত্বে মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে জামায়াতে
ইসলাম ও ইসলামী ঐক্যজোটের কোন প্রতিনিধি অংশ নেননি বলে জানিয়েছেন
কল্যাণপার্টির মহাসচিব এম আমিনুর রহমান। জামায়াত ও ইসলামী ঐক্যজোটের অংশ না
নেয়ার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা আলমগীর মানবজমিনকে বলেন,
ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামীসহ দলটির নেতারা দলীয় কাজে
ময়মনসিংহ সফরে থাকায় বৈঠকে তাদের প্রতিনিধিরা যোগ দিতে পারেননি। আর জামায়াত
নেতারা ঢাকার বাইরে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত থাকায় বৈঠকে যোগ দেননি। ওই
দুটি দল বৈঠকে যোগ না দিলেও ২০ দলীয় জোট ভাঙার কোন সম্ভাবনা নেই। সেসব
গুঞ্জন ছড়ানো হয়েছে সব মিথ্যা। এদিকে ব্রিফিংয়ে মির্জা আলমগীর বলেন,
সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা প্রতিনিয়ত নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন। গতকালও
নাটোরে এক মন্ত্রী সভা করে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বক্তব্য
দিয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন গণমাধ্যমেও মন্ত্রী-এমপিদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের নানা
তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরনের
ব্যবস্থা নিচ্ছে না। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, মন্ত্রী-এমপিদের
আচরণবিধি লঙ্ঘন ঠেকাতে নির্বাচন কমিশন ব্যর্থ। তাদের অযোগ্যতা ফুটে উঠেছে।
এসময় পৌরসভা নির্বাচনে সরকার যেন হস্তক্ষেপ না করে সেই দাবি জানান। এছাড়া
কমিশনকে পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সব ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান
তিনি। মির্জা আলমগীর বলেন, নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার এবং সরকারি দলের
মন্ত্রী-এমপিদের প্রচারণা বন্ধের দাবিতে দু’একদিনের মধ্যেই বিএনপি
নেতৃত্বাধীন জোটের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনে যাবে। বিরোধী
প্রার্থীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ করে মির্জা আলমগীর বলেন, বিভিন্ন
জায়গায় বিরোধী প্রার্থীদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে
গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। অবিলম্বে গ্রেপ্তার অভিযান বন্ধের পাশাপাশি
আটককৃতদের মুক্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, দেশে এখন গণতন্ত্র অনুপস্থিত। এই
অনুপস্থিত গণতন্ত্র, মানুষের ভোটের অধিকার, বাক স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনার
জন্য আমরা পৌর নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে ৩০শে ডিসেম্বর
জনগণ গণতন্ত্রের পক্ষে রায় দেবে। তিনি আরও বলেন, ২০ দলের বৈঠকে পৌর
নির্বাচনে জোটবদ্ধভাবে প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। জামায়াতের
প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চালাবে কিনা এ প্রশ্নের জবাবে মির্জা আলমগীর
বলেন, স্থানীয়ভাবে কিছু কিছু বিষয়ে সমস্যা আছে। সেগুলোর সমাধান
স্থানীয়ভাবেই করা হবে। বাকি দিনগুলো আমরা জোটবদ্ধভাবে প্রচারণায় অংশ নেব।
২০ দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের বৈঠকে জাতীয় পার্টির (জাফর) মহাসচিব
মোস্তফা জামাল হায়দার, এলডিপির মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ, খেলাফত মজলিসের
মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের, জাগপার মহাসচিব খোন্দকার লুৎফর রহমান, ন্যাপের
মহাসচিব গোলাম মোস্তফা, মুসলিম লীগের মহাসচিব শেখ জুলফিকার বুলবুল, বিএলের
মহাসচিব খোকন চন্দ্র দাস, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আমিনুর রহমান, সাম্যবাদী
দলের মহাসচিব সাঈদ আহমেদ, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদি,
জমিয়তের মহাসচিব মওলানা মহিউদ্দিন একরাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সেই অনাথ বালককে বুকে টেনে নিলেন রোনালদো (ভিডিওসহ)
অবশেষে স্বপ্নের নায়ককে কাছে পেলেন সন্ত্রাসীদের আত্মঘাতী বোমা হামলার
শিকার হায়দার মুস্তফা। মা-বাবা দু’জনকেই হারানো বালকটিকে বুকে টেনে নিয়ে
আদর করলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। রিয়াল মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো
পেরেজ নিজের বেডরুমে নিয়ে গিয়ে ছোট্ট বালকটিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখালেন।
রিয়াল মাদ্রিদের জেতা শিরোপাগুলো বালককে দিয়ে ছোঁয়ালেন তিনি। বয়স সবে ৩
বছর। গত মাসে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে এক মারাত্মক আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়।
সন্ত্রাসী সংগঠন আইএস-এর স্বীকার করা ওই হামলায় অন্তত ৪৩ জন নিহত ও ২৪০ জন
নিরীহ মানুষ আহত হয়। ওই হামলায় ৩ বছর বয়সী হায়দার মুস্তফা মা-বাবা
দু’জনকেই হারায়। বোমার আঘাতে মারাত্মক আহত হায়দারকে হাসপাতালে চিকিৎসা দিতে
নিয়ে যায় স্থানীয়রা। তখন তার গায়ে ছিল স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদের
জার্সি। চেতনা ফেরার পর ছোট্ট বালক মা-বাবাবে হারানোর ব্যাপারটি বুঝতে
পারে। কিন্তু তার গায়ে যে জার্সি ছিল সেটা না দেখে কান্না শুরু করে দেয়।
রিয়াল মাদ্রিদের ওই জার্সি পরার জন্য কান্নাকাটি করে ৩ বছর বয়সী বালকটি।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে তাকে রিয়ালের নতুন জার্সি পরিয়ে দেয়। তখনই
জানা যায়, বাবা-মা হারানো এই বালকটি রিয়াল মাদ্রিদের পাঁড় ভক্ত। এবং
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর তার সবচেয়ে প্রিয় খেলোয়াড়। খবরটি যায় রিয়াল
মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের কাছে। সুস্থ হওয়া পর্যন্ত
অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। অবশেষে শুক্রবার তাকে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে নেয়া
হয়। সেখানে মা-বাবা হারানো বালকটিকে নিজে কখনও হাত ধরে আবার কখনও কোলে তুলে
নিয়ে ঘুরিয়ে দেখান। স্বপ্নের নায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো তাকে বুকে জড়িয়ে
ধরে আদর করে দেন। নিজের স্বপ্নের নায়ককে দেখেই কেঁদে ফেলে হায়দার। তবে
রোনালদো তাকে বুকে জড়িয়ে ধরেন। হায়দারের আরেকটি স্বপ্ন পূরণ গতে যাচ্ছে
রোববার। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে বসে নিজের প্রিয় দলের খেলা দেখবে সে। এদিন
রায়ো ভায়েকানোকে স্বাগত জানাবে রিয়াল মাদ্রিদ।
‘মাঠ ফাঁকা করতেই বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার-হামলা’
নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে মাঠ ফাঁকা করতে সারা দেশে
বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার ও হামলা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির
যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ। আজ বিকালে নয়াপল্টন কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংভাদ
সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। হামলা ও গ্রেপ্তারের চিত্র তুলে ধরে রিজভী
আহমেদ বলেন, ঝিনাইদহের হরিনাকুন্ডু ও শৈলকুপায় সরকারি দলের সশস্ত্র
নেতাকর্মীরা বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে আক্রমণ ও লুটতরাজ
চালাচ্ছে। ধানের শীষের সমর্থকদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করার জন্য তা-ব চালানো
হচ্ছে। পৌর নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ির সামনে বোমা
বিস্ফোরণ করে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার বিভিন্ন
এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে আটক করছে।
স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াসেক বিল্লাহকে
গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ভোলা-বোরহানউদ্দিন পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপির
প্রার্থী মনিরুজ্জামান কবি’র বাড়িতে গত ১৭ই ডিসেম্বর রাতে আওয়ামী লীগের
নেতাকর্মীরা হামলা চালালে প্রার্থী মনিরুজ্জামান ও তার স্ত্রীসহ ৫ জন আহত
হন। কুমিল্লার লাকসাম থানার ওসি মনোয়ার হোসেন মোবাইলে ফোন করে পৌর বিএনপি’র
প্রতিটি ওয়ার্ডের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকদের হুমকি দিচ্ছেন। জয়পুরহাট সদরে
বিএনপি নেতাকর্মীদেরকে পুলিশ হুমকি দিচ্ছে এবং নির্বাচনী পোস্টার তুলে
ফেলছে। চট্টগ্রামের মিরেরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপি’র সাবেক
সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিনকে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা বেধড়ক মারধর করে
গুরুতর আহত এবং তার গাড়ি ভাঙচুর করেছে। বারৈয়ারহাট পৌর নির্বাচনে বিএনপি
প্রার্থীর প্রধান সমন্বয়কারী উপজেলা চেয়ারম্যানের ওপর আওয়ামী সন্ত্রাসীরা
নির্বাচনী প্রচারণা চালানোর সময় হামলা চালিয়েছে। ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভা
নির্বাচনে ধানের শীষের মেয়র প্রার্থী মো. মজিবুর রহমানকে প্রচারণায় বাধা
দেয়া হচ্ছে। তার মাইক কেড়ে নেয়া হয়েছে এবং পোস্টার ছিঁড়ে ফেলাসহ কর্মীদের
মারধর করা হয়েছে। বরগুনার পাথরঘাটায় ধানের শীষের প্রার্থী মল্লিক মো.
আইয়ুবকে প্রচারণায় বাধা দেয়া হচ্ছে। নোয়াখালীর চাটখিলে আওয়ামী লীগের
নেতাকর্মীরা ধানের শীষের প্রার্থী ও কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লিলন হত্যায় জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন
উজ্জলসহ বিএনপি ও যুবদলের ১১ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায়
ষড়যন্ত্রমূলক চার্জশিট প্রদান করা হয়েছে। রিজভী আহমেদ বলেন, অবস্থাদৃষ্টে
মনে হচ্ছে- সরকার ও নির্বাচন কমিশন পার্টনারশিপের ভিত্তিতে পৌরসভা
নির্বাচনগুলোতে মেয়রসহ কাউন্সিলর পদগুলো ছিনিয়ে নিতে চাচ্ছে। এই উদ্দেশে
নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে ফাঁকা মাঠে বিজয়ী করতে গ্রেপ্তার হামলা চালাচ্ছে।
মন্ত্রী-এমপিদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করে রিজভী আহমেদ বলেন, নাটোর-৪
আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবদুল কুদ্দুস গত ১৭ই ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার
দুপুরে বড়াইগ্রাম অনার্স কলেজে একটি অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে সরকারদলীয় মেয়র
প্রার্থী আবদুল বারেকের পক্ষে নৌকা প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং নৌকা
মার্কায় ভোট চান। ফরিদপুর-১ আসনের সরকার দলীয় এমপি আবদুর রহমানের বিরুদ্ধে
শুক্রবার আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ করেছেন বোয়ালমারী পৌরসভার
স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মো. মোজাফফর হোসেন মিয়া। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ
পৌরসভা নির্বাচনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়েছেন তিনজন বর্তমান এবং
সাবেক এমপি। গত ১৭ই ডিসেম্বর চট্টগ্রামের সীতাকু-ে এমপি দিদারুল আলম ও জেলা
প্রশাসক এমএ সালাম নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়েছেন। নাটোর-গোপালপুর পৌর
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রোকসানা মোর্তজা লিলি’র বাসায় গত
বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় চল্লিশ মিনিট রুদ্ধদ্বার সভা করেছেন পররাষ্ট্র
প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ
পলক গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টায় একই পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে মন্তাজুরের ধানের
চাতালে এবং ২নং ওয়ার্ডে রজবের চাতালে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা
করেছেন। বিকালে তিনি পৌরসভা মহেন্দ্রপুরেও সভা করেন। ময়মনসিংহের নান্দাইলের
বর্তমান এমপি আনোয়ারুল আবেদিন খান তুহিন পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে
উন্নয়নমূলক কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে ভোটারদের নৌকা প্রতীকে ভোট
দেয়ার কথা বলেন।
রাবিতেও দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ বাতিল
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর এবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েও দ্বিতীয়বার
ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিল করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায়
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান গণমাধ্যমকে এ
তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আগামী ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে এ
সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। সুতরাং আগামী শিক্ষাবর্ষে ২০১৬ সালে এইচএসসি পাস
করা শিক্ষার্থীরাই শুধু অংশগ্রহণ করতে পারবে। উল্লেখ্য, শনিবার বিকেলে
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিনের সভাপতিত্বে
একাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
দুই নেত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ
কমিশনে যোগদানের সপ্তাহখানেকের মাথায় আওয়ামী লীগের সভাপতি বর্তমানে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার এক বন্ধুর মাধ্যমে আমার সাথে প্রায় পনের
মিনিট কথা বলেন। আমার নিয়োগে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেছিলেন যে, তিনি আমার
বক্তব্য শুনেছেন এবং মাঝে মধ্যে পত্রিকায় লেখাও পড়েছেন। তিনি ভেবেছিলেন,
আমি হয়তো উপদেষ্টাম-লীতে থাকব তবুও তার মতে নির্বাচন কমিশনেই ভালো হয়েছে।
আমার অন্তর্ভুক্তিকে স্বাগতম জানিয়ে বলেছিলেন, নির্বাচন যেন যত তাড়াতাড়ি
সম্ভব অনুষ্ঠিত হয়। আমি তাঁকে মনে করালাম যে, তিনি তাঁর এবং সমমনা দলের
নির্বাচন ব্যবস্থাপনা বা ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ইত্যাদি
বাদ দিয়ে নির্বাচন করতে চাইছেন কি না? উত্তরে তিনি বলেছিলেন, ঠিক তেমন নয়
তবে তার মতে এসব করতে বেশি সময় লাগবার কথা নয়।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন তার লেখা ‘নির্বাচন কমিশনে পাঁচ বছর’ শীর্ষক বইয়ে এসব কথা লিখেছেন। এম সাখাওয়াত হোসেন আরও লিখেছেন, শেখ হাসিনার সাথে আমার কখনওই এত সময় কথা হয়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের শপথ গ্রহণের দিন কুশল বিনিময় হয়েছিল মাত্র। তবে তাঁর সাথে কথা বলে আমার মনে হয়েছিল তিনি কথা বলতে ভালোবাসেন। আলোচনা শুরু করলে বেশ খোলামনে আলোচনা করেন। অবশ্য এর পরিচয় আমি পরেও পেয়েছি। আলোচনার মাধ্যমে অত্যন্ত আপন করে নিতে পারেন। ওই দিনের ওই আলোচনায় মনে হল বেশকিছু দাবি যেগুলো নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মহাজোট সোচ্চার ছিল তার বেশিরভাগই ছিল রাজনৈতিক।
শেখ হাসিনার সাথে কথা বলবার প্রায় সপ্তাহের মাথায় এক সন্ধ্যায় ফোন পেলাম প্রাক্তন সেনাপ্রধান, বর্তমানে বিএনপি নেতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহবুবুর রহমানের কাছ থেকে। তাঁর সাথে আমার বহু বছরের পরিচয়। তিনি আমার নিয়োগের প্রথম দিকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। ফোনে প্রারম্ভিক আলাপে সে কথা বলেই বললেন যে, তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সামনেই ফোন করেছেন এবং তিনি (খালেদা জিয়া) আমার সাথে কথা বলতে চাইছেন আমি কথা বলবো কি না? আমি সাথে সাথে বললাম, নিশ্চয়ই।
বেগম খালেদা জিয়াকে আমি সর্বপ্রথম দেখি ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলে। তিনি তৎকালীন ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সদ্য বিবাহিত স্ত্রী হিসেবে স্বামীর সাথে যোগ দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান আমার এক ব্যাচ জুনিয়র কোর্সের প্রশিক্ষক প্লাটুন কমান্ডার ছিলেন। মনে পড়ে কোন এক ঈদে একাডেমি প্রাঙ্গণে এই দম্পতির সাথে দেখা হয়েছিল, কথাও হয়েছিল। দু’ জনেই ছিলেন স্বল্পভাষী। ওই সময় একজন ক্যাডেট হিসেবে যতটুকু কথা।
ওইদিন সদ্য ক্ষমতা ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের গলায় ‘হ্যালো’ শুনে কিছুক্ষণের জন্য আবেগপ্রবণ হয়েছিলাম। সাথে সাথে সামলে নিয়ে অভিবাদন দিলে তিনি বললেন যে, তিনি আমার সাথে তার দেখা হওয়া, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমার বক্তব্য এবং ৎঁংর তে যাওয়ার কথা মনে করছেন। প্রাথমিক আলাপ শেষ করে তিনি যা বললেন, তার সারসংক্ষেপ হল যে, তিনিও সত্ত্বর নির্বাচন দাবি করছেন।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন তার লেখা ‘নির্বাচন কমিশনে পাঁচ বছর’ শীর্ষক বইয়ে এসব কথা লিখেছেন। এম সাখাওয়াত হোসেন আরও লিখেছেন, শেখ হাসিনার সাথে আমার কখনওই এত সময় কথা হয়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধানের শপথ গ্রহণের দিন কুশল বিনিময় হয়েছিল মাত্র। তবে তাঁর সাথে কথা বলে আমার মনে হয়েছিল তিনি কথা বলতে ভালোবাসেন। আলোচনা শুরু করলে বেশ খোলামনে আলোচনা করেন। অবশ্য এর পরিচয় আমি পরেও পেয়েছি। আলোচনার মাধ্যমে অত্যন্ত আপন করে নিতে পারেন। ওই দিনের ওই আলোচনায় মনে হল বেশকিছু দাবি যেগুলো নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা মহাজোট সোচ্চার ছিল তার বেশিরভাগই ছিল রাজনৈতিক।
শেখ হাসিনার সাথে কথা বলবার প্রায় সপ্তাহের মাথায় এক সন্ধ্যায় ফোন পেলাম প্রাক্তন সেনাপ্রধান, বর্তমানে বিএনপি নেতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাহবুবুর রহমানের কাছ থেকে। তাঁর সাথে আমার বহু বছরের পরিচয়। তিনি আমার নিয়োগের প্রথম দিকেই শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। ফোনে প্রারম্ভিক আলাপে সে কথা বলেই বললেন যে, তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সামনেই ফোন করেছেন এবং তিনি (খালেদা জিয়া) আমার সাথে কথা বলতে চাইছেন আমি কথা বলবো কি না? আমি সাথে সাথে বললাম, নিশ্চয়ই।
বেগম খালেদা জিয়াকে আমি সর্বপ্রথম দেখি ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলে। তিনি তৎকালীন ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সদ্য বিবাহিত স্ত্রী হিসেবে স্বামীর সাথে যোগ দিয়েছিলেন। জিয়াউর রহমান আমার এক ব্যাচ জুনিয়র কোর্সের প্রশিক্ষক প্লাটুন কমান্ডার ছিলেন। মনে পড়ে কোন এক ঈদে একাডেমি প্রাঙ্গণে এই দম্পতির সাথে দেখা হয়েছিল, কথাও হয়েছিল। দু’ জনেই ছিলেন স্বল্পভাষী। ওই সময় একজন ক্যাডেট হিসেবে যতটুকু কথা।
ওইদিন সদ্য ক্ষমতা ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের গলায় ‘হ্যালো’ শুনে কিছুক্ষণের জন্য আবেগপ্রবণ হয়েছিলাম। সাথে সাথে সামলে নিয়ে অভিবাদন দিলে তিনি বললেন যে, তিনি আমার সাথে তার দেখা হওয়া, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে আমার বক্তব্য এবং ৎঁংর তে যাওয়ার কথা মনে করছেন। প্রাথমিক আলাপ শেষ করে তিনি যা বললেন, তার সারসংক্ষেপ হল যে, তিনিও সত্ত্বর নির্বাচন দাবি করছেন।
ছাত্রলীগের দু’গ্রুপে বন্দুকযুদ্ধ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে
কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষ চলাকালে উভয়পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময় হয়। এতে
উভয় গ্রুপের ১২ জন কর্মী আহত হয়। সংঘর্ষের পর জরুরি সিন্ডিকেটে শনিবার
বিকাল ৫টা থেকে আবাসিক হলসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে,
বৃহস্পতিবার সংঘর্ষের পর আবারো সংঘর্ষের আশংকায় শনিবার সকাল থেকেই
ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিষেধ করা হয়। প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা
করে বেলা ১০টা থেকে ঝিনাইদহ জেলা ছাত্রলীগ ও নিজ এলাকার ক্যাডারদের নিয়ে
ছাত্রলীগের টেন্টে অবস্থান নেয় সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীরা। অপরদিকে
বহিরাগত সন্ত্রাসী, চাকরি প্রত্যাশী ও স্থানীয় ঠিকাদাররা সহ-সভাপতি মিজানুর
রহমান মিজুর গ্রুপের সঙ্গে ক্যাম্পাসের মিডিয়া চত্বরে মুখোমুখি অবস্থান
নেয়। তাদের সঙ্গে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও ঠিকাদার শামসুজ্জামান তুহিন,
ঠিকাদার বিকাশ, চিহ্নিত সন্ত্রাসী তোতা, বশির, আশিকুর রহমান জাপান, তৌফিকুর
রহমান হিটলার, টিটুসহ বহিরাগতরা সহ-সভাপতি গ্রুপের পক্ষে যোগ দেয়।
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সহ-সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল থেকে তারা ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার ও ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক স্লোগান দিতে থাকে। এসময় ছাত্রলীগের টেন্টে অবস্থানরত সভাপতির নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ শুরু করে। এসময় বিক্ষুব্ধরা একে অপরকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে তাদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় উভয় গ্রুপের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সভাপতির নেতাকর্মীদের ওপর দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে মিজু গ্রুপের কর্মীরা সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীদেরকে ধাওয়া করে। এতে সাইফুল তার কর্মীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু হল এলাকায় গিয়ে আশ্রয় নেয়। ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা টেন্টে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিলাম। পুলিশ, ঠিকাদার, সন্ত্রাসী ও বহিরাগতরা আমাদের ওপর গুলি চালিয়েছে। আমরা তাদের প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছি এবং কৌশলগত কারণে পিছু হটে গিয়েছি। সংঘর্ষের পেছনে সংঘবদ্ধ একটি চক্র পরিকল্পিত ভাবে কাজ করেছে।’
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রুপের জুয়েল রানা হালিম বলেন, ‘সাইফুলের কর্মীরা আমাদের লক্ষ্য করে গুলি করে। আমার কর্মীরা বাধ্য হয়ে তাদের ধাওয়া দিয়ে আবাসিক এলাকায় পাঠিয়ে দেয়।’
ইবি থানার ওসি সফিকুল ইসলাম সফিক বলেন, ‘আমরা দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। কোনো পক্ষকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়নি। বর্তমানে ক্যাম্পাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
হল বন্ধের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিল সভাপতি প্রফেসর ড. ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘শনিবার বিকাল ৫টা থেকে হল বন্ধ থাকবে। আগামী ৫ই জানুয়ারি শীতকালীন ছুটি শেষে আবার যথারীতি আবাসিক হলসমূহ চালু হবে।’
বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সহ-সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল থেকে তারা ভিসি প্রফেসর ড. আবদুল হাকিম সরকার ও ছাত্রলীগ সভাপতির বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক স্লোগান দিতে থাকে। এসময় ছাত্রলীগের টেন্টে অবস্থানরত সভাপতির নেতাকর্মীরাও বিক্ষোভ শুরু করে। এসময় বিক্ষুব্ধরা একে অপরকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। পরে তাদের মাঝে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এসময় উভয় গ্রুপের মধ্যে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলিবিনিময় হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ সভাপতির নেতাকর্মীদের ওপর দুই রাউন্ড গুলি ছুড়ে। এতে মিজু গ্রুপের কর্মীরা সভাপতি গ্রুপের নেতাকর্মীদেরকে ধাওয়া করে। এতে সাইফুল তার কর্মীদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু হল এলাকায় গিয়ে আশ্রয় নেয়। ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা টেন্টে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিলাম। পুলিশ, ঠিকাদার, সন্ত্রাসী ও বহিরাগতরা আমাদের ওপর গুলি চালিয়েছে। আমরা তাদের প্রতিরোধ করার চেষ্টা করেছি এবং কৌশলগত কারণে পিছু হটে গিয়েছি। সংঘর্ষের পেছনে সংঘবদ্ধ একটি চক্র পরিকল্পিত ভাবে কাজ করেছে।’
এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি গ্রুপের জুয়েল রানা হালিম বলেন, ‘সাইফুলের কর্মীরা আমাদের লক্ষ্য করে গুলি করে। আমার কর্মীরা বাধ্য হয়ে তাদের ধাওয়া দিয়ে আবাসিক এলাকায় পাঠিয়ে দেয়।’
ইবি থানার ওসি সফিকুল ইসলাম সফিক বলেন, ‘আমরা দুই রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। কোনো পক্ষকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়নি। বর্তমানে ক্যাম্পাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’
হল বন্ধের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভোস্ট কাউন্সিল সভাপতি প্রফেসর ড. ইকবাল হোসাইন বলেন, ‘শনিবার বিকাল ৫টা থেকে হল বন্ধ থাকবে। আগামী ৫ই জানুয়ারি শীতকালীন ছুটি শেষে আবার যথারীতি আবাসিক হলসমূহ চালু হবে।’
Subscribe to:
Posts (Atom)



















