অভিবক্ত
চকরিয়া বর্তমান পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান শিক্ষানুরাগী, সমাজকর্মী ও মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর
সহ-সভাপতি মৌলভী লোকমান হাকিম এর অকাল মৃত্যুতে শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে
প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব শাব্বির ইকবাল বলেছেন,
আমাদের সমাজে শিক্ষিত ও সমাজকর্মীকে আরো বেশি বেশি মূল্যায়ন করতে হবে।
গুণী মানুষকে তাঁর কাজের স্বীকৃতি প্রদান করে সমাজ উন্নয়নে উৎসাহিত করতে
হবে। বর্তমান সমাজে ভাল মানুষ হওয়ার চাইতে বড় মানুষ হওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি
পাচ্ছে। এটি জাতির জন্য শুভকর নয়। জনাব শাব্বির ইকবাল আরো বলেছেন, মৌলভী
লোকমান হাকিম চকরিয়া, পেকুয়া ও টইটং এর জন্য আলোকিত মানুষ ছিলেন। প্রান্তিক
এলাকার অবহেলিত লোকদের শিক্ষায় উন্নয়নের জন্য তিনি স্কুল মাদ্রাসা
প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখেন। সমাজ উন্নয়নে তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ
এলাকাবাসী তাঁকে চারবার ইউপি সদস্য ও দুইবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে
মূল্যায়ন করেছেন। মৌলভী লোকমান হাকিম বড় মানুষ ছিলেন না তিনি ছিলেন ভাল
মানুষ। তাঁর মত ভাল মানুষ সমাজ ও জাতীর জন্য বড় বেশি প্রয়োজন। টইটং পূর্ব
সোনাইছড়ি যুবকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক নাগরিক শোক সভা বহাদ্দারহাটস্থ
মেরিট বাংলাদেশ কলেজ মিলনায়তনে ১৯ এপ্রিল বিকেলে মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন
মুনির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত
ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সচিব শাব্বির ইকবাল। প্রধান আলোচক হিসেবে
উপস্থিত ছিলেন মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও মেরন সান স্কুল
এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ্। বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোচনায়
অংশগ্রহণ করেন আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালের সহ-সভাপতি লায়ন আলহাজ্ব সৈয়দ
মোরশেদ হোসেন, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মো.
ফখরুদ-দীন, জয়নাল আবেদীন চৌধুরী লিটন, অধ্যাপক কবি শিহাব ইকবাল, মোহাম্মদ
বেলাল হোসেন প্রমুখ।
সম্পাদক: এস এম আজিজুল হাকিম হিরো; Editor: S.M Azizul Hakim Hero; Phone: 01960-519251; 01850912250
Wednesday, December 23, 2015
সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী বলেছিলেন, আপনারা চাকর-বাকর ছিলেন, এখনও আছেন
বিএনপির সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর (সাকা চৌধুরী) বৈধ প্রার্থিতার বিরুদ্ধে
আপিল উত্থাপিত করে তার প্রতিপক্ষ অভিযোগ করলেন যে, তিনি হলফনামায় শিক্ষাগত
যোগ্যতা সম্বন্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। তিনি তার হলফনামায় শিক্ষাগত
যোগ্যতার বিপরীতে লিখেছিলেন ‘স্বশিক্ষিত’। অথচ তিনি বিভিন্ন সময়ে নিজেকে
উচ্চতম শিক্ষিত বলে অতীতে দাবি করে এসেছেন এবং অষ্টম জাতীয় সংসদে তার
শিক্ষাগত যোগ্যতায় মাস্টার্স লেখা রয়েছে। সাবেক নির্বাচন কমিশনার
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন তার লেখা ‘নির্বাচন কমিশনে
পাঁচ বছর’ শীর্ষক বইয়ে এসব কথা লিখেছেন। তিনি আরও লিখেছেন, আমরা সাকা
চৌধুরীর বিরুদ্ধে আপিল শুনানিতে বেশ বিপাকে পড়েছিলাম। প্রথম কারণ যে
আরপিও-১৯৭২ এ হলফনামায় আট তথ্য প্রদানের বিষয়টি সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের
কারণে হুবহু অন্তর্ভুক্ত করা হলেও সংস্কারের সময়ে অসত্য তথ্য প্রদানে কি
ধরনের শাস্তি হবে তা নির্ণয় করা হয়নি। সাকা চৌধুরীর বিষয়টি পরবর্তীতে
বহুল আলোচিত হয়েছিল। তাঁর ব্যঙ্গাতক বক্তব্য যেমন আমাদের হজম করতে হয়েছিল
তেমনি পত্র-পত্রিকার ব্যাপক সমালোচনার শিকার হতে হয়েছিল। সাকা চৌধুরী তার
আত্মপক্ষ সমর্থনে বলেছিলেন যে, তিনি এ ধরনের হলফনামায় ক্ষুদ্ধ। তাঁর
স্বাভাবিক ভঙ্গিতে বলেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী কি জিনিস তা সমস্ত জাতি
জানে। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্বন্ধে নতুন করে বলবার প্রয়োজন নেই। তিনি আরও
বলেন যে, মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দীনের অবৈধ সরকার রাজনীতিবিদদের হেয় করতে
নির্বাচন কমিশনকে এ ধরনের আইন প্রবর্তনে চাপ দিয়েছেন। আপনারা চাকর-বাকর
ছিলেন। এখনও আছেন। আমি নিজে যথেষ্ট সংযম রেখে বলেছিলাম, সালাউদ্দিন
কাদের চৌধুরী সাহেব আপনার মত একজন রাজনীতিবিদ যিনি পিতার উত্তরাধিকারী
হিসেবে পরিচিত নেতা, আপনার মুখে এ ধরনের কথা শোভা পায় না। এই অন্তর্ভুক্তি
দেশের উচ্চতর আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে করা হয়েছে। অন্য কারও আদেশে নয়। আমি
দৃঢ়তার সাথে বলেছিলাম, এখানে দাঁড়িয়ে আপনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তা আদালত
অবমাননার শামিল কিনা আমি জানি না তবে আপনার অনুযোগ আদালতেই তুলতে পারেন।
আমার কথা শেষ হলে সাকা চৌধুরী কিছুটা দমে গেলেন। ওই সময়ে প্রধান নির্বাচন
কমিশনার বলেছিলেন যে, তিনি তার (সাকা চৌধুরীর) আদি অন্ত জানেন, কাজেই তিনি
সনদপত্র দাখিলের জন্য সময় নিতে পারেন।
‘নিরাপত্তা নিয়ে পুরোপুরি সন্তুষ্ট হওয়ার বিষয় নেই’
মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা ব্লুম বার্নিকাট বলেছেন, নিরাপত্তা নিয়ে
পুরোপুরি সন্তুষ্ট হওয়ার কোন বিষয় নেই। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া।
যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ এ নিয়ে যৌথভাবে কাজ করছে এবং করে যাবে। দুপুরে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও সচিব শহিদুল হকের সঙ্গে বৈঠক শেষে
উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। নিরাপত্তা ইসুতে এক
প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার প্রশংসনীয় কিছু উদ্যোগ
নিয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সামনে বড় দিন এবং বর্ষবরণে নিরাপত্তা
জোরদার করা হয়েছে। এটি একটি সম্মিলিত উদ্যোগ। এরজন্য আমরা একসঙ্গে কাজ
করছি। সামনের দিনগুলোতে মার্কিন কর্মকর্তাদের বাংলাদেশে অনেক সফর আছে
উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরাপত্তার কারণে এগুলো প্রকাশ করছি না বিষয়টি এমন
নয়। এই সফরগুলো আরও কাছাকাছি আসলে আপনারা জানতে পারবেন। বার্নিকাট প্রথমে
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে পরে সচিব শহিদুল হকের সঙ্গে বৈঠক করেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)


