Friday, March 11, 2016

বাংলাদেশে ধর্মীয় মত প্রকাশের ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে -জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদন

কিছু আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশে ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক মত প্রকাশের ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার হাইনার বিলেনফোল্ড। বাংলাদেশ সফরের ওপর জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে দেয়া এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে তিনি এ মন্তব্য করেন। গতকাল বুধবার ওই প্রতিবেদন কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি খতিয়ে  দেখতে গত বছরের ৩১শে আগস্ট থেকে ৯ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফর করেন হাইনার বিলেনফোল্ড। ওই সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়, নাগরিক সমাজ ও কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রতিবেদনে হাইনার বিলেনফোল্ড বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক আগে থেকেই আন্তধর্ম সহাবস্থানের পাশাপাশি সমাজের উদার মনোবৃত্তির দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূল আদর্শ হিসেবে ধরা হয়েছে, যা কারও প্রতি বৈষম্য না করে ধর্মীয় বহুমত ধারণের ক্ষেত্র করে দিয়েছে। মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকারের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ অনুসমর্থনের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে র‌্যাপোর্টিয়ার বিলেনফোল্ড মনে করেন, ধর্মনিরপেক্ষতা, যা ধর্মীয় ও বিশ্বাসের স্বাধীনতার ভিত্তিতে  বৈচিত্র্যের সমাহারকে ধারণ করার কথা বলেছে, তা নিশ্চিত করা উচিত। সবাইকে ধারণ করার ব্যাপারে ধর্মনিরপেক্ষতার এই মূল্যবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিতর্কের প্রক্রিয়ায় মূল্যবান ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মীয় বিশ্বাসের লোকজনের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সম্ভাব্য সন্দেহ ও ভুল-বোঝাবুঝি অবসানের জন্য আন্তধর্ম ও আন্তসীমান্ত যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য সরকারকে তার উদ্যোগ দ্বিগুণ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য ও উগ্রবাদের যে কোন তৎপরতার বিরুদ্ধে সরকারকে ধারাবাহিক অবস্থান বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও আদিবাসীরা নিজেদের বিপন্ন বোধ করায় তাদের উদ্বেগ দূর করে সক্রিয় নাগরিক সমাজ ও বহুমতের সমাজ সুরক্ষায় সরকারকে সচেষ্ট থাকতে হবে।কিছু আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশে ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক মত প্রকাশের ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার হাইনার বিলেনফোল্ড। বাংলাদেশ সফরের ওপর জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে দেয়া এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে তিনি এ মন্তব্য করেন। গতকাল বুধবার ওই প্রতিবেদন কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি খতিয়ে  দেখতে গত বছরের ৩১শে আগস্ট থেকে ৯ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফর করেন হাইনার বিলেনফোল্ড। ওই সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়, নাগরিক সমাজ ও কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রতিবেদনে হাইনার বিলেনফোল্ড বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক আগে থেকেই আন্তধর্ম সহাবস্থানের পাশাপাশি সমাজের উদার মনোবৃত্তির দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূল আদর্শ হিসেবে ধরা হয়েছে, যা কারও প্রতি বৈষম্য না করে ধর্মীয় বহুমত ধারণের ক্ষেত্র করে দিয়েছে। মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকারের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ অনুসমর্থনের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে র‌্যাপোর্টিয়ার বিলেনফোল্ড মনে করেন, ধর্মনিরপেক্ষতা, যা ধর্মীয় ও বিশ্বাসের স্বাধীনতার ভিত্তিতে  বৈচিত্র্যের সমাহারকে ধারণ করার কথা বলেছে, তা নিশ্চিত করা উচিত। সবাইকে ধারণ করার ব্যাপারে ধর্মনিরপেক্ষতার এই মূল্যবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিতর্কের প্রক্রিয়ায় মূল্যবান ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মীয় বিশ্বাসের লোকজনের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সম্ভাব্য সন্দেহ ও ভুল-বোঝাবুঝি অবসানের জন্য আন্তধর্ম ও আন্তসীমান্ত যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য সরকারকে তার উদ্যোগ দ্বিগুণ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য ও উগ্রবাদের যে কোন তৎপরতার বিরুদ্ধে সরকারকে ধারাবাহিক অবস্থান বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও আদিবাসীরা নিজেদের বিপন্ন বোধ করায় তাদের উদ্বেগ দূর করে সক্রিয় নাগরিক সমাজ ও বহুমতের সমাজ সুরক্ষায় সরকারকে সচেষ্ট থাকতে হবে।কিছু আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশে ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক মত প্রকাশের ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার হাইনার বিলেনফোল্ড। বাংলাদেশ সফরের ওপর জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে দেয়া এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে তিনি এ মন্তব্য করেন। গতকাল বুধবার ওই প্রতিবেদন কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি খতিয়ে  দেখতে গত বছরের ৩১শে আগস্ট থেকে ৯ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফর করেন হাইনার বিলেনফোল্ড। ওই সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়, নাগরিক সমাজ ও কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রতিবেদনে হাইনার বিলেনফোল্ড বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক আগে থেকেই আন্তধর্ম সহাবস্থানের পাশাপাশি সমাজের উদার মনোবৃত্তির দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূল আদর্শ হিসেবে ধরা হয়েছে, যা কারও প্রতি বৈষম্য না করে ধর্মীয় বহুমত ধারণের ক্ষেত্র করে দিয়েছে। মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকারের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ অনুসমর্থনের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে র‌্যাপোর্টিয়ার বিলেনফোল্ড মনে করেন, ধর্মনিরপেক্ষতা, যা ধর্মীয় ও বিশ্বাসের স্বাধীনতার ভিত্তিতে  বৈচিত্র্যের সমাহারকে ধারণ করার কথা বলেছে, তা নিশ্চিত করা উচিত। সবাইকে ধারণ করার ব্যাপারে ধর্মনিরপেক্ষতার এই মূল্যবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিতর্কের প্রক্রিয়ায় মূল্যবান ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মীয় বিশ্বাসের লোকজনের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সম্ভাব্য সন্দেহ ও ভুল-বোঝাবুঝি অবসানের জন্য আন্তধর্ম ও আন্তসীমান্ত যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য সরকারকে তার উদ্যোগ দ্বিগুণ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য ও উগ্রবাদের যে কোন তৎপরতার বিরুদ্ধে সরকারকে ধারাবাহিক অবস্থান বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও আদিবাসীরা নিজেদের বিপন্ন বোধ করায় তাদের উদ্বেগ দূর করে সক্রিয় নাগরিক সমাজ ও বহুমতের সমাজ সুরক্ষায় সরকারকে সচেষ্ট থাকতে হবে।কিছু আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশে ধর্মীয় কিংবা রাজনৈতিক মত প্রকাশের ক্ষেত্র সংকুচিত হচ্ছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ র‌্যাপোর্টিয়ার হাইনার বিলেনফোল্ড। বাংলাদেশ সফরের ওপর জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে দেয়া এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনে তিনি এ মন্তব্য করেন। গতকাল বুধবার ওই প্রতিবেদন কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশে ধর্মীয় স্বাধীনতার পরিস্থিতি খতিয়ে  দেখতে গত বছরের ৩১শে আগস্ট থেকে ৯ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সফর করেন হাইনার বিলেনফোল্ড। ওই সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়, নাগরিক সমাজ ও কূটনীতিকদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রতিবেদনে হাইনার বিলেনফোল্ড বলেছেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে অনেক আগে থেকেই আন্তধর্ম সহাবস্থানের পাশাপাশি সমাজের উদার মনোবৃত্তির দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া যায়। বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে মূল আদর্শ হিসেবে ধরা হয়েছে, যা কারও প্রতি বৈষম্য না করে ধর্মীয় বহুমত ধারণের ক্ষেত্র করে দিয়েছে। মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকারের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ অনুসমর্থনের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে র‌্যাপোর্টিয়ার বিলেনফোল্ড মনে করেন, ধর্মনিরপেক্ষতা, যা ধর্মীয় ও বিশ্বাসের স্বাধীনতার ভিত্তিতে  বৈচিত্র্যের সমাহারকে ধারণ করার কথা বলেছে, তা নিশ্চিত করা উচিত। সবাইকে ধারণ করার ব্যাপারে ধর্মনিরপেক্ষতার এই মূল্যবোধের মাধ্যমে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বিতর্কের প্রক্রিয়ায় মূল্যবান ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন সম্প্রদায় ও ধর্মীয় বিশ্বাসের লোকজনের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সম্ভাব্য সন্দেহ ও ভুল-বোঝাবুঝি অবসানের জন্য আন্তধর্ম ও আন্তসীমান্ত যোগাযোগ বাড়ানোর জন্য সরকারকে তার উদ্যোগ দ্বিগুণ করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে ওই প্রতিবেদনে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অসহিষ্ণুতা, বৈষম্য ও উগ্রবাদের যে কোন তৎপরতার বিরুদ্ধে সরকারকে ধারাবাহিক অবস্থান বজায় রাখতে হবে। বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে পরিচালিত হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও আদিবাসীরা নিজেদের বিপন্ন বোধ করায় তাদের উদ্বেগ দূর করে সক্রিয় নাগরিক সমাজ ও বহুমতের সমাজ সুরক্ষায় সরকারকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন না সুচি

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মনোনয়ন পাচ্ছেন না মিয়ানমারের শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ী অং সান সুচি। কয়েকদিনের মধ্যেই সেখানে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। সে লক্ষ্যে তার দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) প্রেসিডেন্ট পদে দু’জন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে। তারা হলেন হতিন কাইওয়া ও হেনরি ভ্যানটিউ। তবে এর মধ্যে হতিন কাইওয়া নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবেন এমনটা জোর দিয়ে বলছে বিভিন্ন মিডিয়া। এই মনোনয়নের ফলে সু চির প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথ আপাতত রুদ্ধ হয়ে গেল। তবে তিনি এর আগে বলেছেন, তিনি থাকবেন প্রেসিডেন্টের ওপরে। এটা পরিষ্কার যে তার দল থেকে যিনিই মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন না কেন, ক্ষমতার লাটাই থাকবে তার হাতেই। মিয়ানমারের রাজধানী ন্যাপিড থেকে বিবিসির সাংবাদিক জোনাহ ফিশার বলছেন, শেষ পর্যন্ত মনোনয়নের জন্য লড়াই করেছেন সুচি। কিন্তু তাতে সম্মতি আসে নি। নভেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে তিনি ব্যাপক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিজয়ী হয়েছেন। কিন্তু তার গন্তব্য যে প্রেসিডেন্ট হওয়া এ বিষয়ে তিনি প্রাধান্য বিস্তারকারী সেনা কর্তৃপক্ষকে সমঝোতায় আনতে পারেন নি। মিয়ানমারের সংবিধানের ৫৯ এফ ধারা অনুযায়ী যেহেতু তার স্বামী ও সন্তান বৃটিশ পাসপোর্টধারী তাই তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারেন না। তার দল এনএলডি যে হতিন কাইওয়াকে মনোনয়ন দিয়েছে তিনি অক্সফোর্ডের গ্রাজুয়েট। তিনি সু চির জীবন সম্পর্কে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানেন। দলের প্রতি তিনি নিবেদিত প্রাণ। ২০১০ সালে গৃহবন্দি অবস্থা থেকে সুচি মুক্তি পাওয়ার সময়ও তিনি ছিলেন সুচির পাশে। সরকার চালাবার মতো যথেষ্ট যোগ্যতার আছে তার। তবে অং সান সুচি নির্বাচনের আগেই পরিষ্কার করেছেন যদিও তার প্রেসিডেন্ট পদবী ব্যবহারের অনুমতি নেই, তবু তিনিই থাকবেন ইনচার্জ। প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে। এ প্রক্রিয়ায় দলীয় প্রার্থী মনোনীত করে প্রথম কাজটি সারলো এনএলডি। নিম্ন কক্ষ থেকে এনএলডি মনোনয়ন দিয়েছে হতিন কাইওয়াকে। অন্যদিকে উচ্চ কক্ষ থেকে মনোনয়ন দিয়েছে চীনা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এমপি হেনরি ভ্যানত্রিউকে। উচ্চ কক্ষ ও নিম্ন কক্ষ সব দল থেকে দেয়া প্রার্থীদের মধ্য থেকে চূড়ান্ত প্রার্থী নির্বাচিত করা হবে। এরপর উভয় কক্ষ থেকে বিজয়ী প্রার্থীদের ওপর হবে ভোট। পার্লামেন্টে এ ভোটে যিনি বিজয়ী হবেন তিনিই হবেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট। মোট প্রার্থী থাকবেন তিনজন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর যে দু’জন প্রার্থী থাকবেন তারা হবেন ভাইস প্রেসিডেন্ট। মিয়ানমার পার্লামেন্টের উভয় কক্ষেই আধিপত্য রয়েছে এনএলডির। তাই সংবাদকর্মীরা বলছেন, সুচির ঘনিষ্ট হলেন হতিন কাইওয়া। তিনি যে প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন তা প্রায় নিশ্চিত।

চিকিৎসার জন্য শিলং থেকে দিল্লীতে সালাহ উদ্দিন

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের রাজধানী শিলংয়ে অবস্থানরত বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদ উন্নত চিকিৎসার জন্য নয়া দিল্লী গেছেন।
তার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকালে তিনি দিল্লীতে পৌঁছে সেখানকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
জানা গেছে, সালাহ উদ্দিনের আবেদনের প্রেক্ষিতে শিলং সেশন কোর্ট তাকে ভারতের অন্য যে কোনো প্রদেশে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার অনুমতি দেন। ‘অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে শিংলয়ের আদালতে সালাহ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা ঝুলছে।
শিলংয়ে অবস্থানরত সালাহ উদ্দিনের এক আত্মীয় জানান, তার বাম দিকের কিডনির অবস্থা খুব খরাপ। হৃদরোগ ও চর্মরোগের সমস্যাও প্রকট। নিয়মিত তাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে। শিলংয়ের একটি হাসপাতালে কয়েকজন চিকিৎসক তার কিডনি, হৃদরোগ ও চর্মরোগের চিকিৎসা করছেন। তার পা ফুলে গেছে।
গত বছর বিএনপি নেতৃত্বধীন ২০ দলীয় জোটের ডাকা অনির্দিষ্টকালের অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে ১০ মার্চ উত্তরার একটি বাসা থেকে নিখোঁজ হন সালাহ উদ্দিন আহমেদ। এর প্রায় ২ মাস পর ১১ মে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ের গলফ লিংক এলাকায় উদ্দেশ্যহীন ঘোরাফেরা অবস্থায় উদ্ধার হন তিনি। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সালাহ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ‘ফরেনার্স অ্যাক্ট-৪৬’ এ দায়ের করা মামলার পর চার্জশিটও দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে শিলংয়ের আদালত থেকে শর্ত সাপেক্ষে জামিন পান তিনি। তবে আদালতের দেওয়া শর্ত ছিল- সালাহ উদ্দিনকে শিলং অবস্থান করে প্রতি সপ্তাহে সেখানকার পুলিশ সুপার কার্যালয়ে হাজিরা দিতে হবে। সেখানকার নামি আইনজীবী এস পি মোহান্ত সালাহ উদ্দিনের মামলার আইনগত দিকগুলো দেখভাল করছেন।
সালাহ উদ্দিন কিভাবে ভারতে গেলেন তার রহস্য এখনো উন্মোচিত হয়নি।

সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সেনাবাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকতে হবে -প্রধানমন্ত্রী

সংবিধান ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে অভ্যন্তরীণ ও বহির্বিশ্বের হুমকি মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার কক্সবাজারের রামু সেনানিবাসে সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আহ্বান জানান। তিনি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ, চৌকস ও সুশৃঙ্খল সেনা সদস্যদের দেশের যে কোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেন। সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যরা ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারসপরিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায় রেখে নিজ নিজ কর্তব্য পালন করে যাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আশ্বস্ত করেন, সেনাবাহিনীর উন্নয়নে যে রূপরেখা প্রণয়ন করা হয়েছে তা বাস্তবায়নে ও উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১১টা ২০ মিনিটে রামু সেনানিবাসে হেলিকপ্টারে পৌঁছান। প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মো. শফিউল হক ও ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান তাকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর তিনি রামু সেনানিবাসে ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্ত ২ পদাতিক ব্রিগেডসহ ৭টি ইউনিটির পতাকা উত্তোলন করেন। পরে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী রামু সেনানিবাসে নির্মাণাধীন বীর নরনী নামে একটি সড়ক, ১০ পদাতিক ডিভিশনের স্মৃতির স্মারক অজেয়, বীরাঙ্গন নামের মাল্টিপারপাস শেড, মাতামুহুরি নামের কমেপাজিট ব্যারাকের উদ্বোধন ও চারটি এসএম ব্যারাকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমদ সিদ্দিকী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, সংসদ সদস্যসহ, অসামরিক অতিথিবৃন্দ ও সকল স্তরের সেনা সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।