তরুণ পেসার তাসকিন আহমেদকে শুধু বাংলাদেশ নয় ‘পুরো ক্রিকেট বিশ্বের সম্পদ’
বলে অভিহিত করেছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার শোয়েব আক্তার। তাসকিনের
বোলিং অ্যাকশনের ওপর আইসিসির নিষেধাজ্ঞা জারির পর আজ এক টুইট বার্তায় তিনি
এ মন্তব্য করেন। টুইট বার্তায় পাকিস্তানের সাবেক এই গতিতারকা বলেন,
তাসকিনের জন্য সত্যিই খুব খারাপ লাগছে। আশা করি ও দ্রুত আইসিসি থেকে
ছাড়পত্র পেয়ে যাবে। কারণ ও পুরো ক্রিকেট বিশ্বের সম্পদ। ধারাভাষ্যকার
হিসেবে কাজ করতে শোয়েব এখন ভারতে। এর আগে ছিলেন এশিয়া কাপেও। সে সময়
তাসকিনকে কাছে ডেকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথা বলেছিলেন। নিজের অভিজ্ঞতার
ঝুলি থেকে বেশ কিছু টিপসও দিয়েছিলেন।
সম্পাদক: এস এম আজিজুল হাকিম হিরো; Editor: S.M Azizul Hakim Hero; Phone: 01960-519251; 01850912250
Monday, March 21, 2016
দুই বোলারের নির্বাসনে ভারতের ‘কালো হাত’ দেখছে ঢাকার ক্রিকেট
দীর্ঘ সাংবাদিকতার জীবনে আন্তর্জাতিক স্তরে অনেক খ্যাতনামা ফুটবলার ও
ক্রিকেটারের সংঘটিত ও অসংগঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে হাজির থেকেছি। কিন্তু কোনও
সুপারস্টারের দেশের প্রতি ভালোবাসা, সহ-খেলোয়াড়ের উপর সহমর্মিতায় এমন
আবেগঘন বহিঃপ্রকাশ কোনও দিন দেখিনি। রবিবার দুপুরে বেঙ্গালুরুর
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে এক ‘হৃদয় বিদারক’ প্রেস মিটের সাক্ষী থাকলাম। ২০১৪
সালের ১৩ জুলাই রাতে বিশ্ববিখ্যাত মারাকানা স্টেডিয়ামের মিক্সড জোনে
ভাঙাচোরা লিও মেসিকে দেখেছিলাম স্প্যানিশ ভাষায় দেশীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে
কথা বলতে। গ্রুপ লিগ থেকে বিদায়ের পর স্পেনের কোচ দেল বস্কিকে সাংবাদিক
সম্মেলনে অসহায় লেগেছিল। কিন্তু দেশের প্রতি ভালোবাসায় মাশরাফি মোর্তাজার
মতো ভেঙে পড়তে কাউকে দেখিনি। তাসকিন ও আরাফত সানির উপর আই সি সি’র
নিষেধাজ্ঞা নিয়ে শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া
দিয়েছিলেন। কিন্তু গত ১৫ ঘণ্টায় তাসকিন ও আরাফতের অবস্থা দেখে বাংলাদেশ
অধিনায়ক এতটাই ভেঙে পড়েছেন যে চোখের জল মুছতে মুছতে এদিন বেরিয়ে গেলেন
স্টেডিয়ামের সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষ থেকে। তাঁর ওই অবস্থা দেখে বেঙ্গালুরুতে
লোকাল ম্যানেজার ভি আই পি লাঞ্চের ঘরে নিয়ে চলে যান মাশরাফিকে। সেখানে
কিছুক্ষণ বসে থিতু হয়ে গাড়িতে হোটেলে ফেলেন মাশরাফি। এদিন সাংবাদিক
সম্মেলনে বাংলা ও ইংরাজিতে প্রায় ৩০টি প্রশ্ন ধেয়ে আসে বাংলাদেশ অধিনায়কের
দিকে। এর মধ্যে ২৭টি প্রশ্ন ছিল তাসকিন, সানিদের সাসপেনশনের ফলো আপ আর
শিবিরের প্রতিক্রিয়া নিয়ে। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ানদের নিয়ে ছিল মাত্র তিনটি
প্রশ্ন। সাংবাদিক সম্মেলন যত এগিয়েছে ততই ওই দুই ক্রিকেটারের সাসপেনশন
নিয়ে গলা ধরে এসেছে মাশরাফির। তাসকিন- সানিরা কি রবিবার রাতে খেয়েছিল? এই
প্রশ্নে চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি মাশরাফি। আর শেষ প্রশ্নে বললেন,‘আই সি
সি ওদের দলের সঙ্গে থাকার অনুমতিও দিল না। ওদের চলে যেতে হচ্ছে।’ এই কথা
বলার পরই কাঁদতে কাঁদতে সাংবাদিক সম্মেলন কক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যান ঢাকা
ক্রিকেটপ্রেমীদের আদরের ‘ম্যাশ’। কিছু বাংলাদেশি সাংবাদিক ছুটে গিয়ে তাঁকে
স্বান্তনা জানাতে গেলে একেবারে ভেঙে পড়েন ম্যাশ। ওই মুহূর্তে বাংলাদেশের
অধিনায়ককে দেখে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন সাংবাদিকরাও। মাশরাফি আই সি সি’র মঞ্চে
কি ধরনের প্রতিক্রিয়া দেন তা রেকর্ড করার জন্য আই সি সি’র এক প্রতিনিধি
উপস্থিত ছিলেন। এই ভদ্রলোককে কিন্তু বাংলাদেশের সাংবাদিক সম্মেলনের ৭০
মিনিট আগে হওয়া স্টিভ স্মিথের সাংবাদিক সম্মেলনে দেখা যায়নি। আই সি সি’র
কড়া পর্যবেক্ষণের মধ্যে অত্যন্ত শালীনতার সঙ্গে অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়ে
গেলেন ম্যাশ।
তিনি স্পষ্টতই জানান, ‘সানির সাসপেনশনের ব্যাপারটি আমরা না হয় মেনে নিচ্ছি। আমাদের বিনীত প্রশ্ন হল, তাসকিন ও সানির পরীক্ষা হল গত ১৫ মার্চ। পরীক্ষার ভিডিও অ্যানালেসিসের পরই তো আই সি সি ওদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারত। কেন ওদের পাকিস্তান ম্যাচ খেলতে দেওয়া হল? কারণ ওদের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে হল্যান্ড ম্যাচের পর। আমাদের মূলপর্বে যাওয়ার সম্ভবনা জাগিয়ে তুলতে তাসকিন ও সানিকে ধরমশালা থেকে চেন্নাইয়ে পরীক্ষার জন্য যেতে বলে আই সি সি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা যে ভাবে চলছিল তাতে তো সন্দেহজনক কিছু পেলে মূলপর্বের আগেই ব্যান করা উচিত ছিল। তবে পাকিস্তান ম্যাচ খেলার অনুমতি কেন দেওয়া হল? আর যে ম্যাচে তাসকিনের বোলিং নিয়ে এত প্রশ্ন উঠেছে সেই হল্যান্ড ম্যাচের ভিডিও বিশ্লেষণ করে আমরা তো নয়ই, আই সি সি কিছু পায়নি। এখন আই সি সি লিখিতভাবে ই- মেল করে আমাদের জানাচ্ছে যে চেন্নাইয়ে পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে বাউন্সার দেওয়ার সময়ে তাসকিনের কনুই আই সি সি’র ৬.১ ধারার নিয়ম অনুসারে ১৫ ডিগ্রির বেশি ভেঙেছে। অতীতে আই সি অনেক পেসারকেই বল করার অনুমতি দিয়েছেন বাউন্সার না দেওয়ার শর্তে। তবে তাসকিনের জন্য ওই রকম নির্দেশ দেওয়া হল না কেন? আমরা মেনে নিচ্ছি যে আরাফত সানির বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি আছে। কিন্তু তাসকিনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির কোনও অর্থ নেই। তাসকিন অবিচারের শিকার। হয়তো ওর দোষ গত আটটি ম্যাচে দুরন্ত পারফরম্যান্স। ওর জন্য এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। টি-২০ বিশ্বকাপের হল্যান্ড, ওমানকে হেলায় চূর্ণ করে মূলপর্বে গিয়েছে। বৃষ্টি না হলে আয়ারল্যান্ডকেও আমরা হারাতে পারতাম। ভারতের পর ক্রিকেটে বাংলাদেশের খেলায় টি ভি ভিউয়ারশিপ সবথেকে বেশি। আর সেই বাংলাদেশের উপরই নেমে আসছে আক্রমণ। বাংলাদেশের ক্রিকেটের মঙ্গল হয়তো অনেকেই চায় না। কারণ আমাদের প্রথম ও দ্বিতীয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচ দিনের ব্যবধান ছিল। আই সি সি পাকিস্তান ম্যাচের পরদিন ওদের সিদ্ধান্ত জানাতে পারত। সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য যে ‘টাইমিং’ দেখাল তা আমাদের কাছে আরও বড় ধাক্কা। এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান ম্যাচের পরদিন জানাতে পারত। ওদের বিকল্প এনে দলের সঙ্গে সেট করিয়ে নেওয়ার সময় পেতাম। কিন্তু ওদের দুই বিকল্প শুভাগত হোম চৌধুরি ও সাকলাইনকে বিনা প্রস্তুতিতে রাত জেগে ফ্লাইট ধরে এখানে আসতে হচ্ছে। খেলার জেন্য মানসিক প্রস্তুতি পাচ্ছে না। এতো ঘোরতর অন্যায়। অবিচারও। জানি না আই সি সি আমাদের উপর এত নির্মম কেন? আমি তো তাসকিনের দিকে তাকাতে পারছি না। নিজেকে ঘরে বন্দী রেখেছে। ওর উপর হয়তো অবিচার হল। কারণ আগামী ১০ বছর বাংলাদেশকে দুরন্ত সার্ভিস দেওয়ার ক্ষমতা ওর আছে। গত আটটি ম্যাচে তাসকিন ওভারে গড়ে ছয় রানের কম রান দিয়েছে। এমন বোলিং বিশ্ব ক্রিকেটে গত দেড় মাসে আর কে করেছে?’
বাংলাদেশের অধিনায়ক যা বলেননি, তা প্রকাশ্যে বলছে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা। ঘটনা হল, পদ্মাপারের ক্রিকেটপ্রেমী, বোর্ড কর্তা থেকে শুরু করে দলের সঙ্গে প্রায় সব ম্যাচ কভার করা সাংবাদিকরা বলছে, ভারত নিউজিল্যান্ডের কাছে না হারলে তাসকিন আর সানির উপর এমন নির্মম নির্দেশ নেমে আসত না। আই সি সি হয়তো টুর্নামেন্টের পরই ওদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করত।
আসলে আই সি সি’র এই ‘নিষেধাজ্ঞার আজ্ঞার’ মধ্যে ভারতের কালো হাতই দেখছে বাংলাদেশের ক্রিকেট মহল। তাদের বক্তব্য, পাকিস্তানকে হারিয়েও ভারত নেট রান রেটে এখন তৃতীয়। তাসকিন, সানিদের সাসপেনশনের পর বাংলাদেশের অবস্থা বেসামাল। আগামী ২৩ মার্চ এর সুফল তুলে নেবে ভারত। কারণ সোমবার অজিদের হাতে বাংলাদেশ দুরমুশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাই করছে ঢাকার ক্রিকেট মহল। ফলে ২৩ মার্চ ভারতের বিরুদ্ধে তাদের আর কোনও আত্মবিশ্বাস অবশিষ্ট থাকবে না। টি ২০ বিশ্বকাপের ছয়টি স্পনসরের মধ্যে পাঁচটিরই ভারতে ভালো ব্যবসা। আর জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থাটি ভারতে ব্যবসা শুরু করছে। এদিন মাশরাফি বলেন,‘মাঠে জবাব দিতে পারলে ভালো হত। কিন্তু গোটা দলের মনোবল ভেঙে গিয়েছে। মুস্তাফিজুর পুরো ফিট নয়। কিন্তু ওকে খেলানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। এটা ব্যাটিং পিচ। তামিম, সাকিবদের বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের কোচ হাতুরাসিংঘে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার কোচ ছিলেন। অসিদের জন্য দারুণ পরিকল্পনা করা ছিল। আই সি সি’র নির্দেশে সব শেষ!’
তিনি স্পষ্টতই জানান, ‘সানির সাসপেনশনের ব্যাপারটি আমরা না হয় মেনে নিচ্ছি। আমাদের বিনীত প্রশ্ন হল, তাসকিন ও সানির পরীক্ষা হল গত ১৫ মার্চ। পরীক্ষার ভিডিও অ্যানালেসিসের পরই তো আই সি সি ওদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারত। কেন ওদের পাকিস্তান ম্যাচ খেলতে দেওয়া হল? কারণ ওদের বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন ওঠে হল্যান্ড ম্যাচের পর। আমাদের মূলপর্বে যাওয়ার সম্ভবনা জাগিয়ে তুলতে তাসকিন ও সানিকে ধরমশালা থেকে চেন্নাইয়ে পরীক্ষার জন্য যেতে বলে আই সি সি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা যে ভাবে চলছিল তাতে তো সন্দেহজনক কিছু পেলে মূলপর্বের আগেই ব্যান করা উচিত ছিল। তবে পাকিস্তান ম্যাচ খেলার অনুমতি কেন দেওয়া হল? আর যে ম্যাচে তাসকিনের বোলিং নিয়ে এত প্রশ্ন উঠেছে সেই হল্যান্ড ম্যাচের ভিডিও বিশ্লেষণ করে আমরা তো নয়ই, আই সি সি কিছু পায়নি। এখন আই সি সি লিখিতভাবে ই- মেল করে আমাদের জানাচ্ছে যে চেন্নাইয়ে পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে বাউন্সার দেওয়ার সময়ে তাসকিনের কনুই আই সি সি’র ৬.১ ধারার নিয়ম অনুসারে ১৫ ডিগ্রির বেশি ভেঙেছে। অতীতে আই সি অনেক পেসারকেই বল করার অনুমতি দিয়েছেন বাউন্সার না দেওয়ার শর্তে। তবে তাসকিনের জন্য ওই রকম নির্দেশ দেওয়া হল না কেন? আমরা মেনে নিচ্ছি যে আরাফত সানির বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি আছে। কিন্তু তাসকিনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারির কোনও অর্থ নেই। তাসকিন অবিচারের শিকার। হয়তো ওর দোষ গত আটটি ম্যাচে দুরন্ত পারফরম্যান্স। ওর জন্য এশিয়া কাপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। টি-২০ বিশ্বকাপের হল্যান্ড, ওমানকে হেলায় চূর্ণ করে মূলপর্বে গিয়েছে। বৃষ্টি না হলে আয়ারল্যান্ডকেও আমরা হারাতে পারতাম। ভারতের পর ক্রিকেটে বাংলাদেশের খেলায় টি ভি ভিউয়ারশিপ সবথেকে বেশি। আর সেই বাংলাদেশের উপরই নেমে আসছে আক্রমণ। বাংলাদেশের ক্রিকেটের মঙ্গল হয়তো অনেকেই চায় না। কারণ আমাদের প্রথম ও দ্বিতীয় ম্যাচের মধ্যে পাঁচ দিনের ব্যবধান ছিল। আই সি সি পাকিস্তান ম্যাচের পরদিন ওদের সিদ্ধান্ত জানাতে পারত। সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য যে ‘টাইমিং’ দেখাল তা আমাদের কাছে আরও বড় ধাক্কা। এই সিদ্ধান্ত পাকিস্তান ম্যাচের পরদিন জানাতে পারত। ওদের বিকল্প এনে দলের সঙ্গে সেট করিয়ে নেওয়ার সময় পেতাম। কিন্তু ওদের দুই বিকল্প শুভাগত হোম চৌধুরি ও সাকলাইনকে বিনা প্রস্তুতিতে রাত জেগে ফ্লাইট ধরে এখানে আসতে হচ্ছে। খেলার জেন্য মানসিক প্রস্তুতি পাচ্ছে না। এতো ঘোরতর অন্যায়। অবিচারও। জানি না আই সি সি আমাদের উপর এত নির্মম কেন? আমি তো তাসকিনের দিকে তাকাতে পারছি না। নিজেকে ঘরে বন্দী রেখেছে। ওর উপর হয়তো অবিচার হল। কারণ আগামী ১০ বছর বাংলাদেশকে দুরন্ত সার্ভিস দেওয়ার ক্ষমতা ওর আছে। গত আটটি ম্যাচে তাসকিন ওভারে গড়ে ছয় রানের কম রান দিয়েছে। এমন বোলিং বিশ্ব ক্রিকেটে গত দেড় মাসে আর কে করেছে?’
বাংলাদেশের অধিনায়ক যা বলেননি, তা প্রকাশ্যে বলছে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা। ঘটনা হল, পদ্মাপারের ক্রিকেটপ্রেমী, বোর্ড কর্তা থেকে শুরু করে দলের সঙ্গে প্রায় সব ম্যাচ কভার করা সাংবাদিকরা বলছে, ভারত নিউজিল্যান্ডের কাছে না হারলে তাসকিন আর সানির উপর এমন নির্মম নির্দেশ নেমে আসত না। আই সি সি হয়তো টুর্নামেন্টের পরই ওদের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করত।
আসলে আই সি সি’র এই ‘নিষেধাজ্ঞার আজ্ঞার’ মধ্যে ভারতের কালো হাতই দেখছে বাংলাদেশের ক্রিকেট মহল। তাদের বক্তব্য, পাকিস্তানকে হারিয়েও ভারত নেট রান রেটে এখন তৃতীয়। তাসকিন, সানিদের সাসপেনশনের পর বাংলাদেশের অবস্থা বেসামাল। আগামী ২৩ মার্চ এর সুফল তুলে নেবে ভারত। কারণ সোমবার অজিদের হাতে বাংলাদেশ দুরমুশ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাই করছে ঢাকার ক্রিকেট মহল। ফলে ২৩ মার্চ ভারতের বিরুদ্ধে তাদের আর কোনও আত্মবিশ্বাস অবশিষ্ট থাকবে না। টি ২০ বিশ্বকাপের ছয়টি স্পনসরের মধ্যে পাঁচটিরই ভারতে ভালো ব্যবসা। আর জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থাটি ভারতে ব্যবসা শুরু করছে। এদিন মাশরাফি বলেন,‘মাঠে জবাব দিতে পারলে ভালো হত। কিন্তু গোটা দলের মনোবল ভেঙে গিয়েছে। মুস্তাফিজুর পুরো ফিট নয়। কিন্তু ওকে খেলানো ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। এটা ব্যাটিং পিচ। তামিম, সাকিবদের বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে। আমাদের কোচ হাতুরাসিংঘে সাউথ অস্ট্রেলিয়ার কোচ ছিলেন। অসিদের জন্য দারুণ পরিকল্পনা করা ছিল। আই সি সি’র নির্দেশে সব শেষ!’
Subscribe to:
Posts (Atom)
