সম্পাদক: এস এম আজিজুল হাকিম হিরো; Editor: S.M Azizul Hakim Hero; Phone: 01960-519251; 01850912250
Sunday, May 29, 2016
জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
জাপানি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার টোকিওতে জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে এক প্রাতরাশ বৈঠককালে তিনি এ আহ্বান জানান। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই বৈঠকের বিষয়বস্তু জানানো হয়। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ উৎপাদনের নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে। সরকার শতাধিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও কিছু আইটি পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। এর মধ্যে ৩৩টির কাজ এগিয়ে চলছে। আগামী চার বছরে বাংলাদেশে শিল্প উৎপাদনে আরও এক কোটি মানুষ যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। জাপানকে বাংলাদেশের সবচেয়ে পরীক্ষিত বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, কর্মনিষ্ঠার কারণে জাপানের বিনিয়োগকারীদের সব সময়ই সবার আগে জায়গা দিয়েছে বাংলাদেশের জনগণ। সেই বিবেচনা থেকে বাংলাদেশের দরজা জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত বলে ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, আমি চাই বাংলাদেশের এই ঊর্ধ্বমুখী সুযোগ এবং তারুণ্যদীপ্ত জনশক্তির সর্বোচ্চ সুবিধা ভোগ করুক আমাদের জাপানি বন্ধুরা। বৈঠকে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন (এফবিসিসিআই) ও জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেটেরো) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়। এই সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের জন্য প্রথম জাপানি স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বৈঠকে অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক। এ ছাড়া ছিলেন এফবিসিসিআই সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। জেটেরোর শীর্ষ নেতা ও জাপানের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ীরাও বৈঠকে অংশ নেন।
ফালুজা ঘিরে রেখেছে ইরাকি সেনারা, ভিতরে অমানবিক পরিস্থিতি
আইসিলের নিয়ন্ত্রণে থাকা ফালুজা শহর ঘিরে রেখেছে ইরাকি সেনারা। এ শহরটি আইসিলের দখল থেকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ইরাকি সেনারা তীব্র আক্রমণ শাণিয়েছে। এক্ষেত্রে প্রথম দফায় তারা সফল হয়েছে। ইরাকের সরকারি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন আল জাজিরা। ইরাকি সেনা ও আইসিল যোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র গোলাগুলি বিনিময়ের মধ্যে ওই শহর ছেড়ে পালিয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। এ সময় উভয় পক্ষের গুলি বিনিময়ের মধ্যে পড়ে অনেকে মারা গেছেন। আবার আহত হয়েছেন অনেকে। শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদ থেকে ৬০ কিলোমিটার পশ্চিমের এ শহরে দু’পক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় শুরু হয়। এতে দ্রুত সেখানে সৃষ্টি হয় এক অমানবীয় দৃশ্যের। শনিবার দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার রাসুল ইয়াহিয়া বলেছেন, ২০১৪ সালে ফালুজা আইসিলের নিয়ন্ত্রণে যায়। তারপর শনিবার ইরাকি সেনারা ফালুজার খুব কাছে পৌঁছে যায়। তিনি বলেন, প্রথম দফা অভিযান শেষ। আমরা আমাদের লক্ষ্য অর্জন করেছি। আমাদের সেনারা ফালুজা শহরকে ঘিরে রেখেছে। নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা শহরটির বাইরের দিক থেকে অনেক অধিবাসীকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন। তবে শহরের ভিতরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। আমরা শহরটির বেসামরিক লোকজনের খুব কাছাকাছি। শত্রুরা শহরের বাইরের এলাকা থেকে সরে গেছে। তারা অবস্থান নিয়েছে ফালুজার ভিতরে।
সেনাবাহিনী, পুলিশ, আধা সামরিক বাহিনীর কয়েক হাজার ইরাকি নিরাপত্তা রক্ষী গত সপ্তাহে ফালুজা দখলে আক্রমণ শুরু করে। এতে ব্যবহার করা হয় বিমান বাহিনী। জাতিসংঘ বলছে, গত সপ্তাহে প্রায় ৮০০ মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে আসতে পেরেছে। তারা বেশির ভাগই ফালুজার বাইরের দিকের। এসব এলাকায় আইসিলের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল। ফলে শহরটির ভিতরের পরিস্থিতি ক্রমশ সঙ্কটময় হয়ে উঠছে। এমন কথা বলেছেন নরওয়ের শরণার্থী বিষয়ক কাউন্সিল ইরাকের পরিচালক নাসর মুফলাহি। ইরাকের সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, বেসামরিক লোকজনকে বেরিয়ে আসার জন্য নিরাপদ করিডোর বের করা হবে। কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, আইসিল শহরটির প্রধান প্রধান সড়কে চেকপয়েন্ট স্থাপন করেছে। এর ফলে শহরের ভিতরের মানুষ বেরিয়ে আসা প্রায় অসম্ভব। উপজাতি বিষয়ক একটি কাউন্সিলের সদস্য শেখ আল-হামালি বলেছেন, শিয়া মিলিশিয়ারা আল কারমা এলাকায় বাড়ি ও মসজিদে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক আল কারমাহ ও ইব্রাহিম আলী হাসোন মসজিদ বিস্ফোরক ব্যবহার করে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। জাতিবিদ্বেষী সেøাগান দেয়া হয়েছে। বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ও বৈদ্যুতিক ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে তারা। তবে ইরাকের সেনাবাহিনী এ অভিযোগ ‘বানোয়াট’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার ইয়াহিয়া বলেন, মসজিদে হামলা চালানো আমাদের কাজ নয়। যখন কোন মসজিদ সন্ত্রাসীরা ব্যবহার করে তখন আমাদেরকে এ বিষয়টি দেখতে হয়। প্রতিটি বিজয়ের পরেই আমরা এমন বাড়িঘর লুট ও পুড়িয়ে দেয়ার বানোয়াট অভিযোগ শুনি। এসব অভিযোগ তারাই করে যারা আইসিলকে সমর্থন করে ও আমাদের বিজয়কে খাট করে দেখে। উল্লেখ্য, ফালুজা হলো সুন্নি অধ্যুষিত শহর। বলা হয়, এ শহরটি আইসিলের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা স্বাগত জানিয়েছে। কারণ, তারা মনে করে শিয়া প্রধান সরকার তাদেরকে একপেশে করে রেখেছে। স্থানীয়রা তা সত্ত্বেও বলছেন, আইসিলের নিয়ন্ত্রণে থাকার পরও সেখানকার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বাগদাদে অবস্থানকারী মার্কিন কর্নেল স্টিভ ওয়ারেন বলেন, গত চারদিন ধরে আইসিল যোদ্ধাদের অবস্থান স্থলের ওপর ২০টি হামলা করা হয়েছে। এতে আমরা ফালুজায় আইসিল কমান্ডার মেহের আল বিলাবি সহ কমপক্ষে ৭০ শত্রু যোদ্ধাকে হত্যা করতে পেরেছি।
সেনাবাহিনী, পুলিশ, আধা সামরিক বাহিনীর কয়েক হাজার ইরাকি নিরাপত্তা রক্ষী গত সপ্তাহে ফালুজা দখলে আক্রমণ শুরু করে। এতে ব্যবহার করা হয় বিমান বাহিনী। জাতিসংঘ বলছে, গত সপ্তাহে প্রায় ৮০০ মানুষ সেখান থেকে পালিয়ে আসতে পেরেছে। তারা বেশির ভাগই ফালুজার বাইরের দিকের। এসব এলাকায় আইসিলের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল। ফলে শহরটির ভিতরের পরিস্থিতি ক্রমশ সঙ্কটময় হয়ে উঠছে। এমন কথা বলেছেন নরওয়ের শরণার্থী বিষয়ক কাউন্সিল ইরাকের পরিচালক নাসর মুফলাহি। ইরাকের সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, বেসামরিক লোকজনকে বেরিয়ে আসার জন্য নিরাপদ করিডোর বের করা হবে। কিন্তু স্থানীয়রা বলছেন, আইসিল শহরটির প্রধান প্রধান সড়কে চেকপয়েন্ট স্থাপন করেছে। এর ফলে শহরের ভিতরের মানুষ বেরিয়ে আসা প্রায় অসম্ভব। উপজাতি বিষয়ক একটি কাউন্সিলের সদস্য শেখ আল-হামালি বলেছেন, শিয়া মিলিশিয়ারা আল কারমা এলাকায় বাড়ি ও মসজিদে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক আল কারমাহ ও ইব্রাহিম আলী হাসোন মসজিদ বিস্ফোরক ব্যবহার করে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। জাতিবিদ্বেষী সেøাগান দেয়া হয়েছে। বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ও বৈদ্যুতিক ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে তারা। তবে ইরাকের সেনাবাহিনী এ অভিযোগ ‘বানোয়াট’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। এ বিষয়ে ব্রিগেডিয়ার ইয়াহিয়া বলেন, মসজিদে হামলা চালানো আমাদের কাজ নয়। যখন কোন মসজিদ সন্ত্রাসীরা ব্যবহার করে তখন আমাদেরকে এ বিষয়টি দেখতে হয়। প্রতিটি বিজয়ের পরেই আমরা এমন বাড়িঘর লুট ও পুড়িয়ে দেয়ার বানোয়াট অভিযোগ শুনি। এসব অভিযোগ তারাই করে যারা আইসিলকে সমর্থন করে ও আমাদের বিজয়কে খাট করে দেখে। উল্লেখ্য, ফালুজা হলো সুন্নি অধ্যুষিত শহর। বলা হয়, এ শহরটি আইসিলের নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে তারা স্বাগত জানিয়েছে। কারণ, তারা মনে করে শিয়া প্রধান সরকার তাদেরকে একপেশে করে রেখেছে। স্থানীয়রা তা সত্ত্বেও বলছেন, আইসিলের নিয়ন্ত্রণে থাকার পরও সেখানকার পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বাগদাদে অবস্থানকারী মার্কিন কর্নেল স্টিভ ওয়ারেন বলেন, গত চারদিন ধরে আইসিল যোদ্ধাদের অবস্থান স্থলের ওপর ২০টি হামলা করা হয়েছে। এতে আমরা ফালুজায় আইসিল কমান্ডার মেহের আল বিলাবি সহ কমপক্ষে ৭০ শত্রু যোদ্ধাকে হত্যা করতে পেরেছি।
‘সাফাদির সঙ্গে আমার কোন সাক্ষাৎ হয়নি’
ইসরাইলের লিকুদ পার্টির নেতা মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে তার কোন ধরনের বৈঠক হয়নি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। একইসঙ্গে সাফাদির বক্তব্যকে মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। নিজের ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে জয় বলেন, ‘বিএনপি এমনই এক বোকার দল, এমনকি তারা যখন মিথ্যা বলে, তখনো বোকামিপূর্ণ ভুল করে। আমি চাই, বিএনপি এবং সাফাদি একটা প্রশ্নের জবাব দিক। ওয়াশিংটনের ঠিক কোথায় সে আমার সাক্ষাৎ পেয়েছে? কোন অনুষ্ঠানে? অন্য কার অফিসে? প্রথম বোকামিপূর্ণ ভুল তারা করেছে কারণ, আমি গত তিন-চার বছরে ওয়াশিংটনে কোনো অনুষ্ঠান বা কারও অফিসে যাইনি। যে মিটিংগুলো আমার হয়েছে, সেগুলো সবই সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এবং একান্ত ব্যক্তিগত। তাহলে কোথায় তার সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হতে পারে? আমার সঙ্গে সাফাদির কোনো সময়ই সাক্ষাৎ হয়নি, এটা ওয়াশিংটনেও না বা অন্য কোনো জায়গায়ও না। সে মিথ্যা বলছে। সে যে বিএনপির জন্য মিথ্যা বলতে সম্মত হয়েছে, সেটা দিয়ে এও প্রমাণ হচ্ছে, সে বিএনপির সঙ্গে ষড়যন্ত্রে জড়িত। না হলে আর কী কারণে সে বিএনপির হয়ে মিথ্যা বলবে? এটাও খুবই লজ্জাজনক যে বিবিসি বাংলা আসলেই সেই ভুয়া ইন্টারভিউটি ঘটনার সত্যতা যাচাই ছাড়াই প্রচার করেছে। এ ঘটনা সংবাদের উৎস হিসেবে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।’
গত শুক্রবার বিবিসি বাংলার অনলাইন সংস্করণে বলা হয়, সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে গত বছর মেন্দি এন সাফাদির সাক্ষাৎ হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে জয়ের কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়। সাফাদির একজন আমেরিকান বন্ধু তাঁদের দুজনের এই বৈঠকের আয়োজন করেন বলেও ওই খবরে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবেও সাফাদির একটি সাক্ষাৎকার ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানেও তিনি জয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করেছেন।
গত শুক্রবার বিবিসি বাংলার অনলাইন সংস্করণে বলা হয়, সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে গত বছর মেন্দি এন সাফাদির সাক্ষাৎ হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে জয়ের কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়। সাফাদির একজন আমেরিকান বন্ধু তাঁদের দুজনের এই বৈঠকের আয়োজন করেন বলেও ওই খবরে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবেও সাফাদির একটি সাক্ষাৎকার ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানেও তিনি জয়ের সঙ্গে বৈঠকের কথা উল্লেখ করেছেন।
কান্না করায় নবজাতক হত্যা করলেন মা
কান্না না থামানোয় নবজাতককে হত্যা করেছে তার মা আশিয়া মারিয়া পাটিকো। এ অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার ওই মাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ বলেছে, মারিয়া তাদের কাছে স্বীকার করেছেন যে, তার কয়েক দিন বয়সী ছেলে সন্তানকে বুকে চাপ দিয়ে হত্যা করেছেন তিনি। এর কারণ, শিশুটি কান্না বন্ধ করছিল না। ডব্লিউবিটিভি‘কে তিনি বলেছেন, এটা ছিল নিতান্তই একটি দুর্ঘটনা। আমি দুঃখিত। আমি আসলে তাকে হত্যা করতে চাই নি। স্থানীয় পর্যায়ে যেখানে সন্তান জন্ম গ্রহণ করলে রেকর্ড রাখা হয়, সেখানকার রেকর্ড বলছে, মারিয়ার ছেলে টেইলর জন্ম গ্রহণ করে ২০শে মে। এমন একটি শিশুকে শুধু কান্না করার কারণে একজন মা হত্যা করতে পারেন! এ নিয়ে বিস্তর সমালোচনা চলছে। জবাবে ফেসবুক পোস্টে মারিয়া লিখেছেন, টেইলরের দিনরাত ভালই যাচ্ছিল। আমি তাকে ভীষণ ভালবাসি। তার মতো একটি ছেলের মা হতে পেরে আমি গর্বিত। গত মঙ্গলবার আলেকজান্দার কাউন্টি শেরিফে জরুরি নম্বর ৯১১ থেকে একটি ফোনকল যায়। তাতে বলা টেইলর নামের ওই বাচ্চাটিকে হত্যার কথা জানানো হয়। শেরিফ ক্রিস বোম্যান সেখানে গিয়ে দেখতে পান শিশুটির নাকে, মুখে প্রচ- ক্ষত। প্যারামেডিকরা সেখানেই শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ গ্রেপ্তার করে মারিয়াকে। তারা মনে করছে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে সোমবারই। ওই মায়ের কাছ থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় ওয়েক ফরেস্ট ব্যাপ্টিস্ট হাসপাতালে। সেখানে তার ময়না তদন্ত হওয়ার কথা। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। মারিয়াকে আদালতে হাজির করা হলে তাকে ১০ হাজার ডলারের বিনিময়ে জামিন দিয়েছে আদালত। এ মামলার শুনানি হওয়ার কথা আগামী ৬ই জুন।
Subscribe to:
Posts (Atom)



