কয়েকশ’ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থানরত দুইটি কৃষ্ণগহ্বরের মিলিত হওয়ার শব্দ ধারণ
করতে পেরেছেন একদল বিজ্ঞানী। ফলে আলবার্ট আইনস্টাইনের জগদ্বিখ্যাত
‘আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্বে’র শেষ ভবিষ্যদ্বাণীও সত্য প্রমাণিত হলো।
বৃহ¯পতিবার মার্কিন বিজ্ঞানীদের একটি দল এ ঘোষণা দিয়েছে। এ খবর দিয়েছে নিউ
ইয়র্ক টাইমস অনলাইন।
পদার্থবিজ্ঞানীরা বলছেন, ক্ষীণ শব্দটি মহাকর্ষীয় তরঙ্গের অস্তিত্ব থাকার প্রথম সরাসরি প্রমাণ। প্রায় এক শতাব্দি আগে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন মহাকর্ষীয় তরঙ্গের অস্তিত্বের কথা বলে গেছেন। আইনস্টাইনের তত্ব মতে, স্থান ও কাল পর¯পরের সঙ্গে মিশে আছে। তাদের প্রসারিত, সঙ্কুচিত করা সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রের লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্রাভিটেশনাল-ওয়েভ অবজারভেটরির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড রেইটযে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সনাক্ত করার ঘোষণা দেন। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সনাক্ত করার জন্যই এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দুইটি কৃষ্ণগহ্বরকে একীভূত করার মাধ্যমে এ তরঙ্গ সনাক্ত করা হয়। একটি কৃষ্ণগহ্বরের ভর ছিল ২৯টি সূর্যের সমান! আরেকটির ছিল ৩৬টি সূর্যের সমান। প্রতিটির ব্যসরেখা ছিল প্রায় ৫০ কিলোমিটার।
পদার্থবিজ্ঞানীরা বলছেন, ক্ষীণ শব্দটি মহাকর্ষীয় তরঙ্গের অস্তিত্ব থাকার প্রথম সরাসরি প্রমাণ। প্রায় এক শতাব্দি আগে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন মহাকর্ষীয় তরঙ্গের অস্তিত্বের কথা বলে গেছেন। আইনস্টাইনের তত্ব মতে, স্থান ও কাল পর¯পরের সঙ্গে মিশে আছে। তাদের প্রসারিত, সঙ্কুচিত করা সম্ভব।
যুক্তরাষ্ট্রের লেজার ইন্টারফেরোমিটার গ্রাভিটেশনাল-ওয়েভ অবজারভেটরির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড রেইটযে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সনাক্ত করার ঘোষণা দেন। মহাকর্ষীয় তরঙ্গ সনাক্ত করার জন্যই এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দুইটি কৃষ্ণগহ্বরকে একীভূত করার মাধ্যমে এ তরঙ্গ সনাক্ত করা হয়। একটি কৃষ্ণগহ্বরের ভর ছিল ২৯টি সূর্যের সমান! আরেকটির ছিল ৩৬টি সূর্যের সমান। প্রতিটির ব্যসরেখা ছিল প্রায় ৫০ কিলোমিটার।
No comments:
Post a Comment