পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে নারীদের যৌন
নিপীড়নের ঘটনায় শনাক্ত ৮ জনের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা
পুলিশ। তার নাম কামাল হোসেন। ঘটনার নয় মাস পার হওয়ার পর রাজধানীর চকবাজার
এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে
সোপর্দ করার পর কামলাকে দু’দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। যৌন নিপীড়নের ওই
মামলাটির ঘটনা সত্য কিন্তু আসামিদের নাম-পরিচয় শনাক্ত করতে না পারায় পুলিশ
আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তদন্ত সংস্থা ডিবি’র পক্ষ থেকে
মামলাটি আবার পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা
পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মাশরুকুর রহমান খালেদ বলেন, ঘটনার সঙ্গে
সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছে কামাল। ঘটনার পর থেকেই সে পালিয়ে ছিল।
পুলিশ ম্যানুয়ালি সোর্সের মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করার পর বাসা থেকে গ্রেপ্তার
করে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের একটি দল চকবাজারের খাজা দেওয়ান লেনের ৭৭ নম্বর বাসা থেকে কামালকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কামাল ঘটনার দিন টিএসসি এলাকায় গিয়ে অন্যদের সঙ্গে নারীদের যৌন নিপীড়ন করার কথা স্বীকার করেছে। কামালের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ওই দিন কামাল একাই টিএসসি এলাকায় ঘুরছিল। ঘটনার সময় সন্ধ্যর দিকে টিএসসিতে হট্টগোল লাগার সময় সেও একাধিক নারীকে যৌন নিপীড়ন করে। সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত কামালের সে সময় মুখে দাড়ি ছিল। কিন্তু ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে সে আত্মগোপনে চলে যায়। সিসিটিভি‘র ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ যখন ৮ সন্দেহভাজনের মুখচ্ছবি প্রকাশ করে তা দেখে নিজের দাঁড়িও কেটে ফেলে কামাল। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, আটকের পর কামালকে তার নিজের ছবি দেখানো হলে সে নিজের ছবি শনাক্ত করে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হাসান আরাফাত বলেন, কামাল একাই টিএসসি এলাকায় গিয়েছিল নাকি তার সঙ্গে সংঘবদ্ধ দল ছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা কামালের বাবার নাম মৃত সুরুজ মিয়া। চকবাজারের খাজে দেওয়ান এলাকার পঞ্চায়েত অফিসের পাশেই ছোট্ট একটি টং দোকান রয়েছে তার। ওই দোকানে সে কাঁচামাল বিক্রি করতো। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ৭৭ নম্বর খাজে দেওয়ানে থাকতেন তিনি। কামালের বড় মেয়ের বয়স ৭ বছর আর ছেলের বয়স দেড় বছর। কামাল লেখাপড়া করেনি। কেবল নিজের নাম স্বাক্ষর করতে পারে বলে জানা গেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই দীপক কুমার দাস বলেন, মামলাটির ৮ আসামির মুখচ্ছবি শনাক্ত করা গেলেও তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ কারণে গত ১৩ই ডিসেম্বর ঘটনা সত্য হিসেবে মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছিল। তবে ভবিষ্যতে আসামি গ্রেপ্তার হলে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ কারণে কামালকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে মামলা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করা হয়েছে। আগামী ২৩শে ফেব্রুয়ারি এর শুনানি হবে।
গত ১৪ই এপ্রিল বাংলা নববর্ষের উৎসবের মধ্যে সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের ফটকে ভিড়ের মধ্যে একদল যুবক নারীদের ওপর চড়াও হয়। বখাটেদের হাত থেকে নারীদের বাঁচাতে গিয়ে আহত হন ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি লিটন নন্দী আহত হন। এদিকে প্রথমে পুলিশ ঘটনাটি এড়াতে চাইলেও বিভিন্ন ছাত্র ও নাগরিক সংগঠনের দাবির মুখে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলা এবং তদন্তের উদ্যোগ নেয় পুলিশ। এরপর গত ১৭ মে সিসিটিভি ক্যামেরার ছবি দেখে আট নিপীড়ককে চিহ্নিত করার কথা জানান পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক। তাদের ধরিয়ে দিতে এক লাখ টাকা পুরস্কারেরও ঘোষণা করেন তিনি। আইজিপি এই ঘটনাকে কিছু যুবকের দুষ্টুমি বলে সমালোচনার মুখে পড়েন। এদিকে যৌন নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের মারধরের শিকার হন ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরের একটি কমিটি তদন্ত করে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করেছিল।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের একটি দল চকবাজারের খাজা দেওয়ান লেনের ৭৭ নম্বর বাসা থেকে কামালকে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কামাল ঘটনার দিন টিএসসি এলাকায় গিয়ে অন্যদের সঙ্গে নারীদের যৌন নিপীড়ন করার কথা স্বীকার করেছে। কামালের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, ওই দিন কামাল একাই টিএসসি এলাকায় ঘুরছিল। ঘটনার সময় সন্ধ্যর দিকে টিএসসিতে হট্টগোল লাগার সময় সেও একাধিক নারীকে যৌন নিপীড়ন করে। সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত কামালের সে সময় মুখে দাড়ি ছিল। কিন্তু ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে সে আত্মগোপনে চলে যায়। সিসিটিভি‘র ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ যখন ৮ সন্দেহভাজনের মুখচ্ছবি প্রকাশ করে তা দেখে নিজের দাঁড়িও কেটে ফেলে কামাল। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, আটকের পর কামালকে তার নিজের ছবি দেখানো হলে সে নিজের ছবি শনাক্ত করে।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) হাসান আরাফাত বলেন, কামাল একাই টিএসসি এলাকায় গিয়েছিল নাকি তার সঙ্গে সংঘবদ্ধ দল ছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা কামালের বাবার নাম মৃত সুরুজ মিয়া। চকবাজারের খাজে দেওয়ান এলাকার পঞ্চায়েত অফিসের পাশেই ছোট্ট একটি টং দোকান রয়েছে তার। ওই দোকানে সে কাঁচামাল বিক্রি করতো। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ৭৭ নম্বর খাজে দেওয়ানে থাকতেন তিনি। কামালের বড় মেয়ের বয়স ৭ বছর আর ছেলের বয়স দেড় বছর। কামাল লেখাপড়া করেনি। কেবল নিজের নাম স্বাক্ষর করতে পারে বলে জানা গেছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই দীপক কুমার দাস বলেন, মামলাটির ৮ আসামির মুখচ্ছবি শনাক্ত করা গেলেও তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ কারণে গত ১৩ই ডিসেম্বর ঘটনা সত্য হিসেবে মামলাটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছিল। তবে ভবিষ্যতে আসামি গ্রেপ্তার হলে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করা যাবে বলে উল্লেখ করা হয়েছিল। এ কারণে কামালকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে মামলা পুনরুজ্জীবিত করার আবেদন করা হয়েছে। আগামী ২৩শে ফেব্রুয়ারি এর শুনানি হবে।
গত ১৪ই এপ্রিল বাংলা নববর্ষের উৎসবের মধ্যে সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের ফটকে ভিড়ের মধ্যে একদল যুবক নারীদের ওপর চড়াও হয়। বখাটেদের হাত থেকে নারীদের বাঁচাতে গিয়ে আহত হন ছাত্র ইউনিয়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি লিটন নন্দী আহত হন। এদিকে প্রথমে পুলিশ ঘটনাটি এড়াতে চাইলেও বিভিন্ন ছাত্র ও নাগরিক সংগঠনের দাবির মুখে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশে মামলা এবং তদন্তের উদ্যোগ নেয় পুলিশ। এরপর গত ১৭ মে সিসিটিভি ক্যামেরার ছবি দেখে আট নিপীড়ককে চিহ্নিত করার কথা জানান পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক। তাদের ধরিয়ে দিতে এক লাখ টাকা পুরস্কারেরও ঘোষণা করেন তিনি। আইজিপি এই ঘটনাকে কিছু যুবকের দুষ্টুমি বলে সমালোচনার মুখে পড়েন। এদিকে যৌন নিপীড়নের ঘটনার প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের মারধরের শিকার হন ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় পুলিশ সদর দপ্তরের একটি কমিটি তদন্ত করে এক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তির সুপারিশ করেছিল।
No comments:
Post a Comment