ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি)’র নির্বাচন
সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনে
প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ ও বিএনপির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ করা হয়েছে। বিএনপির
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গতকাল বিকালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির যুগ্ম
মহাসচিব রিজভী আহমেদ এ অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, আওয়ামী প্যানেলের
ছাত্রলীগ-যুবলীগ ক্যাডাররা সন্ত্রাসী কায়দায় আইডিইবি’র বিজয় ছিনিয়ে নিয়েছে।
বিরোধী দলকে আটকিয়ে রাখা ছাড়া সরকার নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করে না। স্বস্তি
পায় না। এই কারণে নির্বাচন, ভোট, প্রতিদ্বন্দ্বিতা সবকিছুকেই তারা
বিপজ্জনক মনে করছে। সুতরাং দখল করা ও সবকিছু কেড়ে নেয়াই হচ্ছে এখন তাদের
রাজনৈতিক নীতি ও দর্শন। রিজভী আহমেদ বলেন, আইডিইবি ২০১৬-২০১৮ টার্মের
কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাচনে সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণের
কথা। সকাল ৮টায় ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু
হয়। এরপর আওয়ামী প্যানেলের ছাত্রলীগ-যুবলীগ ক্যাডাররা বিএনপি সমর্থিত
প্যানেলের সকল প্রার্থীকে সন্ত্রাসী কায়দায় কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়। তিনি
বলেন, বিএনপির পক্ষ থেকে এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা এবং অবিলম্বে
দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। এ সময় আইডিইবির
নির্বাচন প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন- বিএনপি সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী
প্রকৌশলী মো. কবীর হোসেন। সেই সঙ্গে তিনি সারা দেশে ৬৮টি ভোট কেন্দ্রে
পুনরায় নির্বাচন দাবি করেন। বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত এ যুগ্ম
মহাসচিব বলেন, বর্তমান মাননীয় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ন্যায়সঙ্গত,
আইনসঙ্গত, সংবিধানসঙ্গত বক্তব্য দেয়ার কারণেই অবৈধ ক্ষমতাসীনরা দিশাহারা
হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বানোয়াট ও মিথ্যা দেশদ্রোহী
মামলা করেছে। তিনি বলেন, যেভাবে গণতন্ত্র হত্যার লুকিয়ে থাকা মিরজাফর সাবেক
প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ও ও বিচারাঙ্গনের খলনায়ক বিচারপতি শামসুদ্দিন
মানিককে দিয়ে বিচার বিভাগকে দখলের চেষ্টা করা হয়েছিল তাদের সেই
অপপ্রচেষ্টার বিষয়ে যখন কেউ সত্য কথা বলেন তখনই তাদের গা জ্বালা করে। রিজভী
বলেন, জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রধান প্রতীক খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার ও
মামলার ভয় দেখিয়ে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নির্মূল করে সারা দেশ দখল করে নিতে
চায় সরকার।
কিন্তু তাদের দিবাস্বপ্ন ও স্বেচ্ছাচারী পাথরপ্রতীম দুঃশাসন যে যেকোন মুহূর্তে জনরোষে ধুলোয় লুটিয়ে পড়বে। তারা যেন সেটির জন্য প্রস্তুত থাকে। রিজভী আহমেদ বলেন, বর্তমানে গণতন্ত্রের মরীচিকারও অস্তিত্ব নেই।
কিন্তু তাদের দিবাস্বপ্ন ও স্বেচ্ছাচারী পাথরপ্রতীম দুঃশাসন যে যেকোন মুহূর্তে জনরোষে ধুলোয় লুটিয়ে পড়বে। তারা যেন সেটির জন্য প্রস্তুত থাকে। রিজভী আহমেদ বলেন, বর্তমানে গণতন্ত্রের মরীচিকারও অস্তিত্ব নেই।
No comments:
Post a Comment